দেশে চাহিদার চেয়ে এক কোটি মেট্রিক টন খাদ্য বেশি উৎপাদন হলেও বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য চাল আমদানি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। তিনি বলেন, “সরকার প্রতি কেজি চাল উৎপাদনে ২০ থেকে ২৫ টাকা ভর্তুকি দিয়ে থাকে।”
[caption id="attachment_2248" align="alignnone" width="300"]
ছবিঃ আইন সমাজ[/caption]
আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, “লাইসেন্স ছাড়া কেউ খাদ্য মজুত করতে পারবে না। অনিয়ম প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে খাদ্য বিভাগের অনেক ডিসিফুড ও আরসিফুডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
তিনি জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশে ৫৫ লাখ মানুষ ৬ মাস ৩০ কেজি করে চাল পাবেন। এর মধ্যে রংপুর বিভাগের সাড়ে ৯ লাখ মানুষ এই সুবিধা পাবেন। এবার দিনাজপুরে শতভাগ ধান-চাল সংগ্রহ হয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়েও সবচেয়ে বেশি ধান-চাল সংগ্রহ করা হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, “আমরা যখন ধান-চাল সংগ্রহ করছিলাম তখন বাজারে দাম বেড়েছিল। বর্তমানে সংগ্রহ শেষ করে বাজারে চাল ছাড়ার পাশাপাশি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে চাল আসতে শুরু করেছে। বাজার সহনশীল থাকবে।”
রংপুর বিভাগীয় কমিশনার এনডিসি মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাসনাত হুমায়ুন কবীর।
#খাদ্য #চাল #ভূমি_মন্ত্রণালয় #আলী_ইমাম_মজুমদার #অন্তবর্তী_সরকার #দিনাজপুর_সদর