আমের আগাম মুকুলে ছেয়ে গেছে বাগান
(মো. আসির উদ্দীন, পত্নীতলা)
মাঘ মাসের মাঝামাঝিতে আমের বাগানে দেখা দিয়েছে মুকুলের সমরোহ। আমের রাজধানী সাপাহারকে বলা হলেও অধিকাংশ আম আমদানি হয় উপজেলার দিবর, শিহাড়া, নিরমইল এবং আকবরপুর ইউনিয়ন থেকে। পাঁচটি ইউনিয়নে প্রায় ৭হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। এছাড়াও রাস্তার দু'ধার, খালের পাড়, কবরস্থান, এবং পতীত জমিতে আম বাগান বিদ্যমান। শীতের তীব্রতা কমে গিয়ে রৌদ্রজ্বল আবহাওয়ার কারণে গরমের কিছুটা প্রভাবে গাছ ফেটে মুকুল বেরিয়েছে। বাগানে কৃষককে মুকুল পরিচর্যায় ব্যস্ত দেখা যাচ্ছে। কীটনাশকের দোকানগুলো সব সময় খোলা রয়েছে যাতে কৃষকরা আমের মুকুল পরিচর্যার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কীটনাশক নিতে পারেন। সাধারণত ফাল্গুন মাসে আমের মুকুল আসতে দেখা যায়। শীতের তীব্রতা কমে যাওয়ায় আগাম আমের মুকুল আসার ফলে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দে পড়েছেন কৃষকরা। এ সময় আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব পড়লে ঝুঁকি রয়ে গেছে। এছাড়াও আমের গুটিকে টিকিয়ে রাখার জন্য অতিরিক্ত পরিচর্যা ও প্রয়োজন হবে। ফলে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। উপজেলা দিবর ইউনিয়নের আম চাষি মাহাবুর খান বলেন "আমার দুই একর আমবাগান রয়েছে।আগাম মুকুল আসার ফলে পরিচর্যায় বাড়তি মনোযোগ দিতে হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে খুব একটা সমস্যা হবে না। কিন্তু বৃষ্টি বা কুয়াশার কারণে মুকুল ঝরে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আশা করছি সব ঠিক থাকলে এবার আমে উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।"
এরকম হাজারের অধিক কৃষকের স্বপ্ন জড়িয়ে রয়েছে আম কে কেন্দ্র করে। প্রকৃতির কল্যাণে আমের গৌরব অটুট থাকুক এটাই সবার কাম্য।