অবশেষে জানা গেল বাগমারায় গো/লা/কা/টা লা/শে/র মূল কারণ বন্ধুর হাতে হ/ত্যা
রাজশাহী প্রতিনিধি
রাজশাহীর বাগমারায় সুদের টাকা লেনদেনের জের ধরে মাহাবুর রহমান নামে এক যুবককে গলা কেটে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন মাহাবুরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু উজ্জ্বল হোসেন ওরফে কাজল (৪০) এবং তার মামা মোয়াজ্জেম হোসেন (৪২)।
সোমবার রাতে হাটগাঙ্গোপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঢাকের মোড় থেকে কাজল ও তার মামাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত কাজল নরদাশ ইউনিয়নের পানিয়া গ্রামের আবুল কাশেমের পুত্র এবং বাগমারার বেসরকারি এনজিও আশারা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির নির্বাহী পরিচালক ছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কাজল স্বীকার করেন যে সুদের টাকা নিয়ে বিরোধের কারণে মাহাবুরকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই হত্যাকাণ্ডে মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আরও কয়েকজন জড়িত।
মঙ্গলবার সকালে হাটগাঙ্গোপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য আজ মঙ্গলবার ঘটনাস্থলের পাশে জলাশয়ে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়।
মাহাবুর রহমান গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে নিখোঁজ হন, তখন সমিতির সভাপতি সাদ্দাম হোসেনও অফিসে উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে গত শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর রামপুর গ্রামের একটি কলা বাগানে মাহাবুর রহমানের গলা কাটা লাশ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই জেকের আলী অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে সমিতির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও তার সহযোগী মাছচাষী লালুকে আটক করা হয়েছে।