
প্রতিরোধ অগ্নি নির্বাপন ও উদ্ধার বিষয়ক সাধারণ মৌলিক প্রশিক্ষণ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ষ্টেশন দূর্গাপুর, রাজশাহী।
মোঃ শাহিনুর রহমান আকাশ
স্টাফ রিপোর্টার,
রাজশাহী দূর্গাপুর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃক আয়োজিত সচেতন মূলক এক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়,
আজ রোজ শনিবার ২৭শে ডিসেম্বর, সকাল ১০ ঘটিকার সময় রাজশাহী দুর্গাপুর আলিপুর আলিম মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গনে, এক আলোচনা সভা ও বিভিন্ন বিষয়ে সাধারণ জনগণের মাঝে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় থেকে প্রাথমিক নিরাপত্তা বিষয়ে মহড়া প্রদর্শন করেন,
ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স, দুর্গাপুর স্টেশনের
অফিসার ছাইদুর রহমানের
নেতৃত্বে
প্রাথমিক নিরাপত্তা বিষয়ে মহড়া প্রদর্শন করেন,
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আলিপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল ওহাব মাস্টার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব আজিজুর রহমান, মোহাম্মদ হীরক চৌধুরী, ফিরোজ চৌধুরী জাকির চৌধুরীসহ আলিপুর বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সাধারণ জনগণ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনসমূহ হতে যে সকল সেবা প্রদান করা হয় সেগুলো বেশির ভাগই অগ্নি-নির্বাপন, উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা ও রোগী পরিবহন সম্পর্কিত। বাসাবাড়ি, ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান, শিল্প কারখানাসহ যে কোন স্থানে সকল প্রকার অগ্নি-নির্বাপনে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর নিয়োজিত সদস্যগণ সদা প্রস্তুত। যেহেতু অগ্নি নির্বাপনের চেয়ে অগ্নি-প্রতিরোধ উত্তম সেহেতু অগ্নি-প্রতিরোধের পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন শিল্প-কারখানা, স্থাপনাসমূহে ব্যবহৃত দাহ্য পদার্থের মাত্রানুযায়ী সম্ভাব্য অগ্নিঝুঁকি বিবেচনা করে বিদ্যমান অগ্নি নির্বাপনী ব্যবস্থা পরিমাপ করে যথার্থতা সাপেক্ষে মানোন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করে থাকে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে অগ্নি নির্বাপন ও প্রতিরোধে সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারী/বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে, জনসম্মুখে প্রশিক্ষণ ও মহড়ার আয়োজন করে থাকে। এছাড়া অগ্নি-দূর্ঘটনা সহ যে কোন প্রকার দূর্ঘটনায় আটকে পড়া বিপন্ন মানুষদের আধুনিক যন্ত্রপাতির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে কার্যকরভাবে উদ্ধারে সদা তৎপর এবং উদ্ধার পরবর্তী আহতসেবা প্রদান ও আহতদের দ্রুত হাসপাতালে প্রেরণে ভূমিকা পালন করে থাকে। নৌ-দূর্ঘটনায় বা যেকোন প্রকারে পানিতে ডুবে যাওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের রয়েছে প্রশিক্ষিত ডুবুরী বাহিনী।
বর্তমানে বিভিন্ন পরিসংখ্যান থেকে পরিলক্ষিত হচ্ছে যে, সাধারণ মানুষ প্রশিক্ষণ ও মহড়া থেকে অর্জিত জ্ঞান পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রকার অগ্নি-দূর্ঘটনায় ফলপ্রসু ভাবে প্রয়োগে সক্ষম হচ্ছেন, ফলে আগুন ব্যাপক রূপ নিতে পারেনা ও সহজেই নির্বাপিত হচ্ছে।
দেশ ও জনগনের প্রান ও সম্পদ রক্ষায় ত্বরিত সিদ্ধান্ত গ্রহন ও সঠিক বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ নিরলস ভাবে কাজ করে।
একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নের্তৃত্বে ২৪ ঘন্টা জনগনের পাশে থাকে সদা জাগ্রত।
গতি, সেবা, ত্যাগ এই তিন মূলমন্ত্রে উজ্জিবিত
জনগনের আস্থার স্থান হিসেবে প্রমানিত হয়েছে। যা সম্ভব হয়েছে সকলের সহযোগীতা ও সংশ্লিষ্টদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণগুলো মূলত সাধারণ মানুষকে আগুন, উদ্ধারকার্য ও প্রাথমিক চিকিৎসার জরুরি পরিস্থিতিতে মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত করে, যেখানে অগ্নি নিরাপত্তা, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের ব্যবহার, জরুরি নির্গমন পদ্ধতি এবং ভূমিকম্প ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে করণীয় বিষয়ে হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হয়, যা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ রাখতে সাহায্যে করে,
সাধারণ জরুরি পরিস্থিতিতে (যেমন অগ্নিকাণ্ড, দুর্ঘটনা, ভূমিকম্প) উদ্ধারকাজ ও প্রাথমিক চিকিৎসার জ্ঞান প্রদান করা হয়।
পাশাপাশি
সাধারণ নাগরিক, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকরা এই প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারে।
জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকরভাবে সাড়া দেওয়া।
অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা।
জনসাধারণকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলা।

Reporter Name 










