ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত রাজশাহীতে পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদের স্মরণে রহনপুরে বিএনপির ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা রমজান মাস উপলক্ষে নওগাঁয় ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রমজানে সবজির বাজারে আগুন: ক্রেতাদের নাভিশ্বাস ভোলাহাটে,বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল (মিস্তি)র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। মহান একুশে বাঘায় ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রানীনগর থানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের যোগদান নওগাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস
নোটিশ :
দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ইমেইল : ainsomaj24@gmail.com, মোবাইল ০১৭০৭-৫৬৯৫৯২, ০১৩০০-৩৪৪২৪৫

নওগাঁয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৪:৫৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫২০ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি

জাহিদ হাসান, নওগাঁ প্রতিনিধি

পৌষের মাঝামাঝি এসে নওগাঁয় শীত পুরো দাপট নিয়ে হাজির। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় সকালে বের হওয়াই কঠিন হয়ে যাচ্ছে মানুষের জন্য। দিন দিন তাপমাত্রা নিচে নামছে, আর স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় পরিষ্কার প্রভাব ফেলছে।

বুধবার সকাল ৮টার দিকে বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র নওগাঁয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে। চলতি শীত মৌসুমে এটিই জেলার সবচেয়ে কম তাপমাত্রা। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ।
আগের দিন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা কমেছে ৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি।

স্থানীয়রা বলছেন, সন্ধ্যার পরই শীত চেহারা বদলে ফেলে। রাতভর ঘন কুয়াশায় রাস্তা–ঘাট ঢেকে থাকে। সূর্য উঠলেও হিমেল হাওয়া ঠান্ডার অনুভূতি কমায় না।

ডাক্তারের মোড়ের আহসান হাবিব জানালেন, দিনে রোদ থাকায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও সন্ধ্যার পর ঠান্ডার তীব্রতা বেড়ে যায়। রাতে ঘুমোতে কয়েকটি লেপ–কম্বল ছাড়া উপায় থাকে না।
বরুনকান্দির ভ্যানচালক আব্দুস সালাম বলেন, সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত ভ্যান চালানোই কষ্ট। যাত্রীও পাওয়া যায় না।

ঠান্ডাজনিত রোগেও চাপ বেড়েছে হাসপাতালে। নওগাঁ ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আরএমও ডা. আবু জার গাফফার জানান, গত কয়েকদিনে শিশু, মধ্যবয়সী ও বয়স্ক মিলে শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট এবং টিওপিডিতে আক্রান্ত প্রায় দুই শতাধিক রোগী ভর্তি আছেন। সবার চিকিৎসা সেবা চলমান।

বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, আজ রেকর্ড হওয়া ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যেই মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

শীতের প্রকোপ বাড়ায় জেলা প্রশাসনও নেমে এসেছে সাহায্যে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসার মো. আশেকুর রহমান জানান, প্রতিটি উপজেলায় অসহায় মানুষদের জন্য ৬ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মোট বরাদ্দ ৬৬ লাখ টাকা। পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টা ত্রাণ তহবিল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এবং জেলা পরিষদ মিলিয়ে ৩০ হাজার ৬ শত কম্বল বরাদ্দ এসেছে, যা ইতোমধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন

নওগাঁয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি

আপডেট সময় ০৪:৫৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

নওগাঁয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি

জাহিদ হাসান, নওগাঁ প্রতিনিধি

পৌষের মাঝামাঝি এসে নওগাঁয় শীত পুরো দাপট নিয়ে হাজির। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় সকালে বের হওয়াই কঠিন হয়ে যাচ্ছে মানুষের জন্য। দিন দিন তাপমাত্রা নিচে নামছে, আর স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় পরিষ্কার প্রভাব ফেলছে।

বুধবার সকাল ৮টার দিকে বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র নওগাঁয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে। চলতি শীত মৌসুমে এটিই জেলার সবচেয়ে কম তাপমাত্রা। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ।
আগের দিন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা কমেছে ৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি।

স্থানীয়রা বলছেন, সন্ধ্যার পরই শীত চেহারা বদলে ফেলে। রাতভর ঘন কুয়াশায় রাস্তা–ঘাট ঢেকে থাকে। সূর্য উঠলেও হিমেল হাওয়া ঠান্ডার অনুভূতি কমায় না।

ডাক্তারের মোড়ের আহসান হাবিব জানালেন, দিনে রোদ থাকায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও সন্ধ্যার পর ঠান্ডার তীব্রতা বেড়ে যায়। রাতে ঘুমোতে কয়েকটি লেপ–কম্বল ছাড়া উপায় থাকে না।
বরুনকান্দির ভ্যানচালক আব্দুস সালাম বলেন, সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত ভ্যান চালানোই কষ্ট। যাত্রীও পাওয়া যায় না।

ঠান্ডাজনিত রোগেও চাপ বেড়েছে হাসপাতালে। নওগাঁ ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আরএমও ডা. আবু জার গাফফার জানান, গত কয়েকদিনে শিশু, মধ্যবয়সী ও বয়স্ক মিলে শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট এবং টিওপিডিতে আক্রান্ত প্রায় দুই শতাধিক রোগী ভর্তি আছেন। সবার চিকিৎসা সেবা চলমান।

বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, আজ রেকর্ড হওয়া ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যেই মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

শীতের প্রকোপ বাড়ায় জেলা প্রশাসনও নেমে এসেছে সাহায্যে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসার মো. আশেকুর রহমান জানান, প্রতিটি উপজেলায় অসহায় মানুষদের জন্য ৬ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মোট বরাদ্দ ৬৬ লাখ টাকা। পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টা ত্রাণ তহবিল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এবং জেলা পরিষদ মিলিয়ে ৩০ হাজার ৬ শত কম্বল বরাদ্দ এসেছে, যা ইতোমধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে।