ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত রাজশাহীতে পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদের স্মরণে রহনপুরে বিএনপির ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা রমজান মাস উপলক্ষে নওগাঁয় ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রমজানে সবজির বাজারে আগুন: ক্রেতাদের নাভিশ্বাস ভোলাহাটে,বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল (মিস্তি)র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। মহান একুশে বাঘায় ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রানীনগর থানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের যোগদান নওগাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস
নোটিশ :
দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ইমেইল : ainsomaj24@gmail.com, মোবাইল ০১৭০৭-৫৬৯৫৯২, ০১৩০০-৩৪৪২৪৫

বেগম জিয়ার মৃ ত্যু সবাইকে একতাবদ্ধ হতে শিখিয়ে গেছেন: শফিকুল হক মিলন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৪:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৭৯ বার পড়া হয়েছে

বেগম জিয়ার মৃ ত্যু সবাইকে একতাবদ্ধ হতে শিখিয়ে গেছেন: শফিকুল হক মিলন

 

মোঃতানজিলুল ইসলাম লাইক ব্যুরো চিফ রাজশাহী,

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি সাবেক চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালে জন্ম গ্রহন করেছিলেন। বাংলার রাখালরাজা, বাংলাদেশের উন্নয়নের রুপকার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাবেক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন মেজর ছিলেন সে সময়ে ১৯৬০ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সাথে বিয়ে হয়েছিলো। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হলে মেজর জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের হয়ে ভারতের বিপক্ষে যুদ্ধে অবতীর্ন হয়েছিলেন। সে সময়ে বেগম জিয়ার বয়স হয়েছিলো মাত্র বিশ বছর। সে সময় থেকেই তিনি স্ট্রাগল করা শুরু করেন।

তাঁর মৃত্যু সবাইকে একতাবদ্ধ হতে শিখিয়ে গেছে। কারণ তাঁর জানাযায় বিশ্বের ২৬টি রাষ্ট্র থেকে নেতৃবৃন্দ এসেছিলেন বলে পবার পারিলা ইউনিয়ন এলাকাবাসীর আয়োজনে বুধবার বিকেলে রামচন্দ্রপুর কলেজ মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা-মোহনপুরের বিএনপি মনোনিত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, জানাযায় কত লোক হয়েছিলো তা কেউ এখন পর্যন্ত পরিমাপ করে বলতে পারেনি। আর ভবিষ্যতের পারবেনা বলে উল্লেখ করেন তিনি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরে বিশ্বে এমন কোন নেতার জানাযায় এত লোক হয়নি বলে জানান তিনি। তিনি বেগম জিয়া, আরাফাত রহমান কোকো, জুলাই যুদ্ধে সকল শহীদ ও দীর্ঘ সতের বছরে স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সকল মৃত মুসলিম ব্যক্তির আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। সেইসাথে যারা অসুস্থ আছেন তাদের সুস্থতা কামনা করে আসছে নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে সবাইকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন। বক্তব্য শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন পারিলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক রেজাউল করিম। সদস্য সচিব মোখলেসুর রহমানের সঞ্চালনায় মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও নওহাটা পৌর সাবেক মেয়র ও নওহাটা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ মকবুল হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য ও পবা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন, সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, আব্দুস সালাম, রাবি ক্রপ সান্সেস এনড টেক বিভাগের উপরেষ্টিটার আব্দুল গাফ্ফার, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক শফিকুল আলম সমাপ্ত, পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তাইজুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম সোহেল রানা, শফিকুল ইসলাম শফিক, সদস্য মাজদার রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান লিটন, পবা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন আকতার ও সদস্য মোস্তাক আহম্মেদ ছোট।
আরো উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি এডভোকেট সামসাদ বেগম মিতালী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রুমেনা হক, মহানগর মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সামসুন্নাহার, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আলামিনসহ বিএনপি অঙ্গ ও সহোযাগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ জনগণ।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন

বেগম জিয়ার মৃ ত্যু সবাইকে একতাবদ্ধ হতে শিখিয়ে গেছেন: শফিকুল হক মিলন

আপডেট সময় ০৪:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

বেগম জিয়ার মৃ ত্যু সবাইকে একতাবদ্ধ হতে শিখিয়ে গেছেন: শফিকুল হক মিলন

 

মোঃতানজিলুল ইসলাম লাইক ব্যুরো চিফ রাজশাহী,

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি সাবেক চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালে জন্ম গ্রহন করেছিলেন। বাংলার রাখালরাজা, বাংলাদেশের উন্নয়নের রুপকার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাবেক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন মেজর ছিলেন সে সময়ে ১৯৬০ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সাথে বিয়ে হয়েছিলো। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হলে মেজর জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের হয়ে ভারতের বিপক্ষে যুদ্ধে অবতীর্ন হয়েছিলেন। সে সময়ে বেগম জিয়ার বয়স হয়েছিলো মাত্র বিশ বছর। সে সময় থেকেই তিনি স্ট্রাগল করা শুরু করেন।

তাঁর মৃত্যু সবাইকে একতাবদ্ধ হতে শিখিয়ে গেছে। কারণ তাঁর জানাযায় বিশ্বের ২৬টি রাষ্ট্র থেকে নেতৃবৃন্দ এসেছিলেন বলে পবার পারিলা ইউনিয়ন এলাকাবাসীর আয়োজনে বুধবার বিকেলে রামচন্দ্রপুর কলেজ মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা-মোহনপুরের বিএনপি মনোনিত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, জানাযায় কত লোক হয়েছিলো তা কেউ এখন পর্যন্ত পরিমাপ করে বলতে পারেনি। আর ভবিষ্যতের পারবেনা বলে উল্লেখ করেন তিনি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরে বিশ্বে এমন কোন নেতার জানাযায় এত লোক হয়নি বলে জানান তিনি। তিনি বেগম জিয়া, আরাফাত রহমান কোকো, জুলাই যুদ্ধে সকল শহীদ ও দীর্ঘ সতের বছরে স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সকল মৃত মুসলিম ব্যক্তির আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। সেইসাথে যারা অসুস্থ আছেন তাদের সুস্থতা কামনা করে আসছে নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে সবাইকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন। বক্তব্য শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন পারিলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক রেজাউল করিম। সদস্য সচিব মোখলেসুর রহমানের সঞ্চালনায় মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও নওহাটা পৌর সাবেক মেয়র ও নওহাটা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ মকবুল হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য ও পবা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন, সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, আব্দুস সালাম, রাবি ক্রপ সান্সেস এনড টেক বিভাগের উপরেষ্টিটার আব্দুল গাফ্ফার, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক শফিকুল আলম সমাপ্ত, পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তাইজুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম সোহেল রানা, শফিকুল ইসলাম শফিক, সদস্য মাজদার রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান লিটন, পবা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন আকতার ও সদস্য মোস্তাক আহম্মেদ ছোট।
আরো উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি এডভোকেট সামসাদ বেগম মিতালী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রুমেনা হক, মহানগর মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সামসুন্নাহার, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আলামিনসহ বিএনপি অঙ্গ ও সহোযাগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ জনগণ।