
রাজশাহী সদর আসনে কোন আপোষ নয় : মিনু
তানজিলুল ইসলাম লাইক, রাজশাহী :
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বিএনপি দেশের ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আয়োজিত এক সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার প্রার্থীদের হাতে ধানের শীষ তুলে দিয়ে তাদের প্রার্থিতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন। এসময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
এ প্রেক্ষাপটে রাজশাহী সদর আসন-২ এর প্রার্থী, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, রাসিকের সাবেক মেয়র ও সাবেক এমপি মিজানুর রহমান মিনু–এর পক্ষে পরিচালনা ও প্রচারণা কমিটি গঠনে গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় রাণীবাজারের একটি রেস্টুরেন্টে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মিজানুর রহমান মিনু।
মিনু বলেন, “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে। একটি মহল ধর্মের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করে মানুষের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে জনগণকে ফেরাতে এখনই নির্বাচনী মাঠে নামতে হবে।”
তিনি আরো বলেন, সদর আসনের ৩০টি ওয়ার্ডে শক্তিশালী নির্বাচনী কমিটি গঠন করতে হবে। মিডিয়া ও প্রচারণা কমিটিসহ প্রয়োজনীয় সব কমিটি দ্রুত করার নির্দেশ দেন।
বিএনপি একটি পরিচ্ছন্ন ও গণতান্ত্রিক দল উল্লেখ করে বলেন—দলে প্রতিযোগিতা আছে, কিন্তু কোন প্রতিহিংসা নেই। রাজশাহী মহানগর বিএনপিকে সর্বোচ্চ দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান।
মিনু বলেন, “রাজশাহী বিএনপির ঘাঁটি। সদর আসন দেশের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোন ছাড় দেওয়া যাবে না।” তিনি নেতাকর্মীদের আজ থেকেই ঘরে ঘরে নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর নির্দেশ দেন।
সভায় উপস্থিত নেতারা মিনুর বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে তার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারা জানান—ভোটের মাধ্যমেই ধানের শীষকে বিজয়ী করতে সব ধরনের পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করবেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন-অর-রশিদ মামুন এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, নজরুল হুদা, আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা, শফিকুল ইসলাম শাফিক, অ্যাড. আলী আশরাফ মাসুম, রবিউল আলম মিলু, বজলুল হক মন্টু, আনসার আলী, নাজমুল হক ডিকেন, শওকত আলী, আলী হোসেন, সাইদুর রহমান পিন্টু, মাসুদ, আব্দুল মতিন, মনিরুজ্জামান শরিফ, একরামুল হক একরাম, মিজানুর রহমান মিজান, মাইনুল ইসলাম, মজিউল আহসান হিমেল, শামসুল ইসলাম মিলু, বজলুজ্জামান মহন, আলাউদ্দিনসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, শ্রমিক দল, মৎস্যজীবী দল, মুক্তিযোদ্ধা দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

Reporter Name 










