ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত রাজশাহীতে পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদের স্মরণে রহনপুরে বিএনপির ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা রমজান মাস উপলক্ষে নওগাঁয় ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রমজানে সবজির বাজারে আগুন: ক্রেতাদের নাভিশ্বাস ভোলাহাটে,বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল (মিস্তি)র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। মহান একুশে বাঘায় ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রানীনগর থানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের যোগদান নওগাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস
নোটিশ :
দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ইমেইল : ainsomaj24@gmail.com, মোবাইল ০১৭০৭-৫৬৯৫৯২, ০১৩০০-৩৪৪২৪৫

গোবিন্দগঞ্জে এলজিইডি’র IPCP প্রকল্পে তপসিয়া খাল উন্নয়ন নামের অর্থ আত্মসাৎ চক্রান্ত, প্রকল্প বন্ধের দাবি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:১৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৫৬ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মিঠু মিয়া,গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখালবুরুজ ইউনিয়নের তপসিয়া খাল উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এলজিইডি’র (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর) IPCP (দ্বিতীয় সংশোধিত পুকুর খাল উন্নয়ন প্রকল্প) কর্মসূচির আওতায় এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারের কোটি টাকা আত্মসাৎ করার পায়তারার অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মাহবুবুল হক এই প্রকল্পে অর্থ অপচয় ও দুর্নীতির সাথে জড়িত। প্রকল্পটির মাধ্যমে তপসিয়া খাল উন্নয়ন করার কথা থাকলেও প্রকল্পের প্রস্তাব গ্রহণের পর এতে ৪ কিলোমিটার খাল খননের দাবি তুলে ৩ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে, যদিও প্রকৃতপক্ষে খননকৃত অংশ মাত্র ১.৩ কিলোমিটার।

এলাকাবাসী অভিযোগ করছেন, প্রকল্পটির মাধ্যমে সরকারি অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই হবে না। প্রকল্পের ব্যয়ের সঙ্গে কাজের পরিমাণের বৈষম্য স্পষ্টভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ২৪ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে ১.৩ কিলোমিটার খনন কাজ হলেও, প্রকল্পের ব্যয়ের পরিমাণ ৩ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে।

এদিকে, প্রকল্পের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় দেওয়ানতলা খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমিতি পুনতাইড় খাল খননের কার্যক্রম শুরু করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। পুনতাইড় খাল খননের জন্য প্রস্তাবিত ব্যয় মাত্র ৪৫ লক্ষ টাকা এবং এটি প্রকৃতপক্ষে সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।

এলাকা বাসীর দাবি, তপসিয়া খাল উন্নয়ন প্রকল্পটি অবিলম্বে স্থগিত করে সরকারের অর্থ আত্মসাৎ ঠেকানো উচিত। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকল্পটি পুনঃমূল্যায়ন করার দাবি জানিয়েছে।

এলাকার জনগণের দাবি:
এলাকার মানুষের দাবি, দ্রুত প্রকল্পটির পুনঃমূল্যায়ন করে প্রকৃতপক্ষে যে খালগুলোর উন্নয়ন প্রয়োজন, সেখানে সঠিকভাবে অর্থ ব্যয় করা হোক। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন

গোবিন্দগঞ্জে এলজিইডি’র IPCP প্রকল্পে তপসিয়া খাল উন্নয়ন নামের অর্থ আত্মসাৎ চক্রান্ত, প্রকল্প বন্ধের দাবি

আপডেট সময় ১১:১৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

মোঃ মিঠু মিয়া,গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখালবুরুজ ইউনিয়নের তপসিয়া খাল উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এলজিইডি’র (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর) IPCP (দ্বিতীয় সংশোধিত পুকুর খাল উন্নয়ন প্রকল্প) কর্মসূচির আওতায় এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারের কোটি টাকা আত্মসাৎ করার পায়তারার অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মাহবুবুল হক এই প্রকল্পে অর্থ অপচয় ও দুর্নীতির সাথে জড়িত। প্রকল্পটির মাধ্যমে তপসিয়া খাল উন্নয়ন করার কথা থাকলেও প্রকল্পের প্রস্তাব গ্রহণের পর এতে ৪ কিলোমিটার খাল খননের দাবি তুলে ৩ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে, যদিও প্রকৃতপক্ষে খননকৃত অংশ মাত্র ১.৩ কিলোমিটার।

এলাকাবাসী অভিযোগ করছেন, প্রকল্পটির মাধ্যমে সরকারি অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই হবে না। প্রকল্পের ব্যয়ের সঙ্গে কাজের পরিমাণের বৈষম্য স্পষ্টভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ২৪ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে ১.৩ কিলোমিটার খনন কাজ হলেও, প্রকল্পের ব্যয়ের পরিমাণ ৩ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে।

এদিকে, প্রকল্পের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় দেওয়ানতলা খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমিতি পুনতাইড় খাল খননের কার্যক্রম শুরু করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। পুনতাইড় খাল খননের জন্য প্রস্তাবিত ব্যয় মাত্র ৪৫ লক্ষ টাকা এবং এটি প্রকৃতপক্ষে সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।

এলাকা বাসীর দাবি, তপসিয়া খাল উন্নয়ন প্রকল্পটি অবিলম্বে স্থগিত করে সরকারের অর্থ আত্মসাৎ ঠেকানো উচিত। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকল্পটি পুনঃমূল্যায়ন করার দাবি জানিয়েছে।

এলাকার জনগণের দাবি:
এলাকার মানুষের দাবি, দ্রুত প্রকল্পটির পুনঃমূল্যায়ন করে প্রকৃতপক্ষে যে খালগুলোর উন্নয়ন প্রয়োজন, সেখানে সঠিকভাবে অর্থ ব্যয় করা হোক। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।