ঢাকা , বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত রাজশাহীতে পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদের স্মরণে রহনপুরে বিএনপির ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা রমজান মাস উপলক্ষে নওগাঁয় ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রমজানে সবজির বাজারে আগুন: ক্রেতাদের নাভিশ্বাস ভোলাহাটে,বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল (মিস্তি)র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। মহান একুশে বাঘায় ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রানীনগর থানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের যোগদান নওগাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস
নোটিশ :
দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ইমেইল : ainsomaj24@gmail.com, মোবাইল ০১৭০৭-৫৬৯৫৯২, ০১৩০০-৩৪৪২৪৫

বাঘায় যত্রতত্র পুকুর খননে বর্ষায় বাড়ে জলাবদ্ধতা- চলছে পুকুর খনন, বন্ধে নেই কার্যকর পদক্ষেপ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৫০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

বাঘায় যত্রতত্র পুকুর খননে বর্ষায় বাড়ে জলাবদ্ধতা- চলছে পুকুর খনন, বন্ধে নেই কার্যকর পদক্ষেপ

আবুল হাশেম
চারঘাট প্রতিনিধি:

প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমের পর শীতের শুরুর দিক থেকেই ধুমধামে চলে পুকুর খনন।
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় যত্রতত্র ও অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খননের ফলে গত কয়েক বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গিয়ে অনাবাদী হয়ে পড়ছে, ক্ষতির মুখে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে ফসলি জমি ও আমবাগান কেটে নির্বিচারে পুকুর খনন করা হলেও প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। ফলে ব্যাপক ক্ষতির পরও বন্ধ হচ্ছে না এই পুকুর খননের কার্যক্রম।

বর্তমানে বাঘা উপজেলার আড়পাড়া, বলিহার ও তেঁথুলিয়া সিকদারপাড়া এলাকায় অন্তত তিনটি নতুন পুকুর খননের কাজ চলমান রয়েছে। এসব পুকুর খননের মাটি পরিবহনের ফলে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে সরকারি রাস্তার। এছাড়াও আশপাশের এলাকায় পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা আরও তীব্র হবে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

বলিহার গুচ্ছগ্রামের পূর্ব পার্শ্বের রাস্তা দিয়ে উত্তর দিকে ট্রলি চালক জহুরুল ও মিঠুর নেতৃত্বে প্রকাশ্যে চলছে পুকুর খনন। সরেজমিনে গেলে জহুরুল ও মিঠু প্রতিবেদক কে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।

স্থানীয়রা বলছে মাটি পরিবহনের ফলে রাস্তাটি চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে।

অপরদিকে সিকদার পাড়া গ্রামের পুকুরটি নওটিকা গ্রামের নাজিমের নেতৃত্বে খনন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বলিহার গুচ্ছগ্রাম এলাকার বাসিন্দারা জানান, বর্ষা এলেই চারপাশে পানি জমে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। একদিকে কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশের ওপরও পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাঘা উপজেলায় বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পুকুর রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবিহা সুলতানা ডলি বলেন, “গত রবিবার একটি অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।

এলাকাবাসীর দাবি, অপরিকল্পিত পুকুর খনন বন্ধে দ্রুত কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে কৃষি ও পরিবেশের ক্ষতি আরও বাড়বে।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন

বাঘায় যত্রতত্র পুকুর খননে বর্ষায় বাড়ে জলাবদ্ধতা- চলছে পুকুর খনন, বন্ধে নেই কার্যকর পদক্ষেপ

আপডেট সময় ১১:৫০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বাঘায় যত্রতত্র পুকুর খননে বর্ষায় বাড়ে জলাবদ্ধতা- চলছে পুকুর খনন, বন্ধে নেই কার্যকর পদক্ষেপ

আবুল হাশেম
চারঘাট প্রতিনিধি:

প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমের পর শীতের শুরুর দিক থেকেই ধুমধামে চলে পুকুর খনন।
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় যত্রতত্র ও অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খননের ফলে গত কয়েক বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গিয়ে অনাবাদী হয়ে পড়ছে, ক্ষতির মুখে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে ফসলি জমি ও আমবাগান কেটে নির্বিচারে পুকুর খনন করা হলেও প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। ফলে ব্যাপক ক্ষতির পরও বন্ধ হচ্ছে না এই পুকুর খননের কার্যক্রম।

বর্তমানে বাঘা উপজেলার আড়পাড়া, বলিহার ও তেঁথুলিয়া সিকদারপাড়া এলাকায় অন্তত তিনটি নতুন পুকুর খননের কাজ চলমান রয়েছে। এসব পুকুর খননের মাটি পরিবহনের ফলে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে সরকারি রাস্তার। এছাড়াও আশপাশের এলাকায় পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা আরও তীব্র হবে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

বলিহার গুচ্ছগ্রামের পূর্ব পার্শ্বের রাস্তা দিয়ে উত্তর দিকে ট্রলি চালক জহুরুল ও মিঠুর নেতৃত্বে প্রকাশ্যে চলছে পুকুর খনন। সরেজমিনে গেলে জহুরুল ও মিঠু প্রতিবেদক কে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।

স্থানীয়রা বলছে মাটি পরিবহনের ফলে রাস্তাটি চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে।

অপরদিকে সিকদার পাড়া গ্রামের পুকুরটি নওটিকা গ্রামের নাজিমের নেতৃত্বে খনন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বলিহার গুচ্ছগ্রাম এলাকার বাসিন্দারা জানান, বর্ষা এলেই চারপাশে পানি জমে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। একদিকে কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশের ওপরও পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাঘা উপজেলায় বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পুকুর রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবিহা সুলতানা ডলি বলেন, “গত রবিবার একটি অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।

এলাকাবাসীর দাবি, অপরিকল্পিত পুকুর খনন বন্ধে দ্রুত কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে কৃষি ও পরিবেশের ক্ষতি আরও বাড়বে।