ঢাকা , শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত রাজশাহীতে পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদের স্মরণে রহনপুরে বিএনপির ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা রমজান মাস উপলক্ষে নওগাঁয় ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রমজানে সবজির বাজারে আগুন: ক্রেতাদের নাভিশ্বাস ভোলাহাটে,বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল (মিস্তি)র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। মহান একুশে বাঘায় ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রানীনগর থানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের যোগদান নওগাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস
নোটিশ :
দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ইমেইল : ainsomaj24@gmail.com, মোবাইল ০১৭০৭-৫৬৯৫৯২, ০১৩০০-৩৪৪২৪৫

উত্তরবঙ্গের সিংহপুরুষ জননেতা আব্দুল জলিলের জন্মবার্ষিকী, বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৬:১৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

উত্তরবঙ্গের সিংহপুরুষ জননেতা আব্দুল জলিলের জন্মবার্ষিকী, বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম

নওগাঁ জেলা বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ বিদ্যুৎ হোসেন

জানুয়ারি, ২০২৬
আজ ২১ শে জানুয়ারি। বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, উত্তরবঙ্গের অবিসংবাদিত নেতা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল সাহেবের জন্মবার্ষিকী। ১৯৩৯ সালের এই দিনে নওগাঁর এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু ও সংগ্রাম
আব্দুল জলিল কেবল একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না,দল মত নির্বিশেষে সবার নেতা ছিলেন , তিনি ছিলেন একজন দক্ষ সংগঠক। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সাথে যুক্ত হন এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে এগিয়ে যান। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি উত্তরবঙ্গের প্রধান সংগঠক হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ৭ নং সেক্টরের প্রধান হিসেবে তাঁর অবদান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
কেন্দ্রীয় রাজনীতি ও দলীয় অবদান
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা ২০০২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তৎকালীন সময়ে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথ কাঁপানো আন্দোলনে তিনি ছিলেন প্রথম সারির যোদ্ধা। বিশেষ করে ২০০৪ সালের বিখ্যাত ‘ট্রাম্প কার্ড’ ঘোষণা এবং তার আপসহীন নেতৃত্ব দলীয় কর্মীদের কাছে তাঁকে “সিংহপুরুষ” হিসেবে পরিচিতি দিয়েছিল।
উন্নয়ন ও নওগাঁর রূপকার
নওগাঁ-৫ আসন থেকে বারবার নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য তাঁর নির্বাচনী এলাকাকে উন্নয়নের মডেলে পরিণত করেছিলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবেও তিনি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। নওগাঁর শিক্ষা, যোগাযোগ এবং সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে তাঁর অবদান আজও এ অঞ্চলের মানুষ কৃতজ্ঞভরে স্মরণ করে।
এক জনবান্ধব নেতা
আব্দুল জলিল সাহেবের সবচেয়ে বড় গুণ ছিল সাধারণ মানুষের সাথে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক। বড় মাপের নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ছিলেন নিরহংকার ও সদালাপী। নওগাঁর প্রতিটি ধূলিকণা যেন তাঁর পদচিহ্ন ধারণ করে আছে। ২০১৩ সালের ৬ মার্চ তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেও, তাঁর আদর্শ ও কর্ম আজও লক্ষ লক্ষ রাজনৈতিক কর্মীর অনুপ্রেরণা।
আজ তাঁর জন্মবার্ষিকীতে নওগাঁসহ সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করা হচ্ছে। আমরা মহান আল্লাহর কাছে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং দোয়া করি আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন।
জননেতা আব্দুল জলিল কেবল নওগাঁর সম্পদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন পুরো বাংলাদেশের সম্পদ। তাঁর শূন্যতা কখনও পূরণ হওয়ার নয়। বাংলার রাজনীতিতে তাঁর নাম চিরকাল অক্ষয় হয়ে থাকবে।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন

উত্তরবঙ্গের সিংহপুরুষ জননেতা আব্দুল জলিলের জন্মবার্ষিকী, বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম

আপডেট সময় ০৬:১৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

উত্তরবঙ্গের সিংহপুরুষ জননেতা আব্দুল জলিলের জন্মবার্ষিকী, বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম

নওগাঁ জেলা বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ বিদ্যুৎ হোসেন

জানুয়ারি, ২০২৬
আজ ২১ শে জানুয়ারি। বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, উত্তরবঙ্গের অবিসংবাদিত নেতা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল সাহেবের জন্মবার্ষিকী। ১৯৩৯ সালের এই দিনে নওগাঁর এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু ও সংগ্রাম
আব্দুল জলিল কেবল একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না,দল মত নির্বিশেষে সবার নেতা ছিলেন , তিনি ছিলেন একজন দক্ষ সংগঠক। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সাথে যুক্ত হন এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে এগিয়ে যান। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি উত্তরবঙ্গের প্রধান সংগঠক হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ৭ নং সেক্টরের প্রধান হিসেবে তাঁর অবদান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
কেন্দ্রীয় রাজনীতি ও দলীয় অবদান
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা ২০০২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তৎকালীন সময়ে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথ কাঁপানো আন্দোলনে তিনি ছিলেন প্রথম সারির যোদ্ধা। বিশেষ করে ২০০৪ সালের বিখ্যাত ‘ট্রাম্প কার্ড’ ঘোষণা এবং তার আপসহীন নেতৃত্ব দলীয় কর্মীদের কাছে তাঁকে “সিংহপুরুষ” হিসেবে পরিচিতি দিয়েছিল।
উন্নয়ন ও নওগাঁর রূপকার
নওগাঁ-৫ আসন থেকে বারবার নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য তাঁর নির্বাচনী এলাকাকে উন্নয়নের মডেলে পরিণত করেছিলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবেও তিনি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। নওগাঁর শিক্ষা, যোগাযোগ এবং সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে তাঁর অবদান আজও এ অঞ্চলের মানুষ কৃতজ্ঞভরে স্মরণ করে।
এক জনবান্ধব নেতা
আব্দুল জলিল সাহেবের সবচেয়ে বড় গুণ ছিল সাধারণ মানুষের সাথে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক। বড় মাপের নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ছিলেন নিরহংকার ও সদালাপী। নওগাঁর প্রতিটি ধূলিকণা যেন তাঁর পদচিহ্ন ধারণ করে আছে। ২০১৩ সালের ৬ মার্চ তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেও, তাঁর আদর্শ ও কর্ম আজও লক্ষ লক্ষ রাজনৈতিক কর্মীর অনুপ্রেরণা।
আজ তাঁর জন্মবার্ষিকীতে নওগাঁসহ সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করা হচ্ছে। আমরা মহান আল্লাহর কাছে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং দোয়া করি আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন।
জননেতা আব্দুল জলিল কেবল নওগাঁর সম্পদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন পুরো বাংলাদেশের সম্পদ। তাঁর শূন্যতা কখনও পূরণ হওয়ার নয়। বাংলার রাজনীতিতে তাঁর নাম চিরকাল অক্ষয় হয়ে থাকবে।