ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত রাজশাহীতে পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদের স্মরণে রহনপুরে বিএনপির ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা রমজান মাস উপলক্ষে নওগাঁয় ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রমজানে সবজির বাজারে আগুন: ক্রেতাদের নাভিশ্বাস ভোলাহাটে,বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল (মিস্তি)র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। মহান একুশে বাঘায় ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রানীনগর থানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের যোগদান নওগাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস
নোটিশ :
দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ইমেইল : ainsomaj24@gmail.com, মোবাইল ০১৭০৭-৫৬৯৫৯২, ০১৩০০-৩৪৪২৪৫

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন বিএনপির সঙ্গে জনগণ ছিল বলেই গত ১৭ বছর এত অত্যাচার সহ্য করেও দলটি আজও টিকে আছে।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৫:৫১:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন বিএনপির সঙ্গে জনগণ ছিল বলেই গত ১৭ বছর এত অত্যাচার সহ্য করেও দলটি আজও টিকে আছে।

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: মোঃ রাফি হোসেন

হুট করে প্লেনে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের তো আর যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় নওগাঁ শহরের এটিম মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নির্বাচনী প্রচারণা ও রাজনৈতিক সফরের কর্মসূচির অংশ হিসেবে উত্তরের জেলা নওগাঁয় এসেছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে এক পক্ষ দেশ থেকে পালিয়ে গেছে। কিন্তু আরেকটি পক্ষ আছে, যারা আগে থেকেই তাদের সঙ্গে একসঙ্গে ছিল। গত ১৬ বছর তাদের মাঠে-ঘাটে পাওয়া যায়নি। ভিতরে ভিতরে তাদের সঙ্গেই ছিল। তারা আবারও ভিতরে ভিতরে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ম্যাজিক দেখানোর মতো খালি বাক্স যেন ভরা বাক্সে দেখাতে না পারে, সে জন্য ব্যালট বাক্স পাহারা দিতে হবে।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, গত ১৬ বছর বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের কোনো উন্নয়ন ও পরিবর্তন হয়নি। আমরা গ্রামের মানুষের উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই। নারীদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই। মানুষ যেন নিরাপদে পথে-ঘাটে হাঁটতে পারে এবং নিরাপদে ঘুমাতে পারে, সে লক্ষ্যে কাজ করা হবে। ঢাকার অনেক উন্নয়ন হয়েছে। মেগা প্রকল্প মানেই মেগা দুর্নীতি।

কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কৃষকদের ভালো রাখলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। এই অঞ্চলে ধানের পাশাপাশি আম চাষ হয়। তবে একটি সমস্যা রয়েছে, সেটি হলো আম সংরক্ষণের জন্য কোনো হিমাগার নেই। সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কৃষকদের উৎপাদিত ফসল কম খরচে ঢাকায় নিতে রেল ব্যবস্থার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হবে। কৃষকদের সুবিধার জন্য শহীদ জিয়া ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ করে দিয়েছিলেন। আমরা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ করে দেব। দেশের সকল কৃষককে পর্যায়ক্রমে কৃষি কার্ড প্রদান করা হবে। যা দিয়ে ফসলের যাবতীয় বীজ ও সার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে, যাতে তাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্ত হয় এবং প্রাকৃতিক ক্ষতির মোকাবিলা করতে পারে।

নারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মায়েদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। যা দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি মাসে একটি সুবিধা প্রদান করা হবে। গ্রাম-গঞ্জে মায়েরা ভালো চিকিৎসাসেবা পান না। এজন্য গ্রামে হেলথ কেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এতে ছোটখাটো অসুখ ঘরে বসেই নিরাময় করা যাবে।

শিক্ষিত বেকারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পড়ালেখা করলে শুধু ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে এমন নয়, খেলোয়াড়ও হওয়া যায়। এজন্য স্কুল থেকেই খেলা শেখাতে হবে, যাতে বিদেশে গিয়ে সুনাম অর্জনের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে আয় করতে পারে। সারা দেশে অনেক শিক্ষিত ছেলে-মেয়ে আছে। যেহেতু এটি একটি কৃষি অঞ্চল এবং এখানে কলকারখানা রয়েছে, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করলে তাদের কর্মসংস্থান বাড়বে। আইটি সেক্টরে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা দেশে আসতে চায়। সেখানে আইটি অভিজ্ঞরা কাজ করতে পারবেন।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন বিএনপির সঙ্গে জনগণ ছিল বলেই গত ১৭ বছর এত অত্যাচার সহ্য করেও দলটি আজও টিকে আছে।

আপডেট সময় ০৫:৫১:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন বিএনপির সঙ্গে জনগণ ছিল বলেই গত ১৭ বছর এত অত্যাচার সহ্য করেও দলটি আজও টিকে আছে।

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: মোঃ রাফি হোসেন

হুট করে প্লেনে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের তো আর যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় নওগাঁ শহরের এটিম মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নির্বাচনী প্রচারণা ও রাজনৈতিক সফরের কর্মসূচির অংশ হিসেবে উত্তরের জেলা নওগাঁয় এসেছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে এক পক্ষ দেশ থেকে পালিয়ে গেছে। কিন্তু আরেকটি পক্ষ আছে, যারা আগে থেকেই তাদের সঙ্গে একসঙ্গে ছিল। গত ১৬ বছর তাদের মাঠে-ঘাটে পাওয়া যায়নি। ভিতরে ভিতরে তাদের সঙ্গেই ছিল। তারা আবারও ভিতরে ভিতরে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ম্যাজিক দেখানোর মতো খালি বাক্স যেন ভরা বাক্সে দেখাতে না পারে, সে জন্য ব্যালট বাক্স পাহারা দিতে হবে।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, গত ১৬ বছর বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের কোনো উন্নয়ন ও পরিবর্তন হয়নি। আমরা গ্রামের মানুষের উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই। নারীদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই। মানুষ যেন নিরাপদে পথে-ঘাটে হাঁটতে পারে এবং নিরাপদে ঘুমাতে পারে, সে লক্ষ্যে কাজ করা হবে। ঢাকার অনেক উন্নয়ন হয়েছে। মেগা প্রকল্প মানেই মেগা দুর্নীতি।

কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কৃষকদের ভালো রাখলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। এই অঞ্চলে ধানের পাশাপাশি আম চাষ হয়। তবে একটি সমস্যা রয়েছে, সেটি হলো আম সংরক্ষণের জন্য কোনো হিমাগার নেই। সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কৃষকদের উৎপাদিত ফসল কম খরচে ঢাকায় নিতে রেল ব্যবস্থার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হবে। কৃষকদের সুবিধার জন্য শহীদ জিয়া ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ করে দিয়েছিলেন। আমরা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ করে দেব। দেশের সকল কৃষককে পর্যায়ক্রমে কৃষি কার্ড প্রদান করা হবে। যা দিয়ে ফসলের যাবতীয় বীজ ও সার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে, যাতে তাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্ত হয় এবং প্রাকৃতিক ক্ষতির মোকাবিলা করতে পারে।

নারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মায়েদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। যা দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি মাসে একটি সুবিধা প্রদান করা হবে। গ্রাম-গঞ্জে মায়েরা ভালো চিকিৎসাসেবা পান না। এজন্য গ্রামে হেলথ কেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এতে ছোটখাটো অসুখ ঘরে বসেই নিরাময় করা যাবে।

শিক্ষিত বেকারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পড়ালেখা করলে শুধু ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে এমন নয়, খেলোয়াড়ও হওয়া যায়। এজন্য স্কুল থেকেই খেলা শেখাতে হবে, যাতে বিদেশে গিয়ে সুনাম অর্জনের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে আয় করতে পারে। সারা দেশে অনেক শিক্ষিত ছেলে-মেয়ে আছে। যেহেতু এটি একটি কৃষি অঞ্চল এবং এখানে কলকারখানা রয়েছে, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করলে তাদের কর্মসংস্থান বাড়বে। আইটি সেক্টরে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা দেশে আসতে চায়। সেখানে আইটি অভিজ্ঞরা কাজ করতে পারবেন।