ঢাকা , রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত রাজশাহীতে পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদের স্মরণে রহনপুরে বিএনপির ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা রমজান মাস উপলক্ষে নওগাঁয় ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রমজানে সবজির বাজারে আগুন: ক্রেতাদের নাভিশ্বাস ভোলাহাটে,বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল (মিস্তি)র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। মহান একুশে বাঘায় ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রানীনগর থানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের যোগদান নওগাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস
নোটিশ :
দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ইমেইল : ainsomaj24@gmail.com, মোবাইল ০১৭০৭-৫৬৯৫৯২, ০১৩০০-৩৪৪২৪৫

আমের আগাম মুকুলে ছেয়ে গেছে বাগান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৮:২০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

আমের আগাম মুকুলে ছেয়ে গেছে বাগান

(মো. আসির উদ্দীন, পত্নীতলা)

মাঘ মাসের মাঝামাঝিতে আমের বাগানে দেখা দিয়েছে মুকুলের সমরোহ। আমের রাজধানী সাপাহারকে বলা হলেও অধিকাংশ আম আমদানি হয় উপজেলার দিবর, শিহাড়া, নিরমইল এবং আকবরপুর ইউনিয়ন থেকে। পাঁচটি ইউনিয়নে প্রায় ৭হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। এছাড়াও রাস্তার দু’ধার, খালের পাড়, কবরস্থান, এবং পতীত জমিতে আম বাগান বিদ্যমান। শীতের তীব্রতা কমে গিয়ে রৌদ্রজ্বল আবহাওয়ার কারণে গরমের কিছুটা প্রভাবে গাছ ফেটে মুকুল বেরিয়েছে। বাগানে কৃষককে মুকুল পরিচর্যায় ব্যস্ত দেখা যাচ্ছে। কীটনাশকের দোকানগুলো সব সময় খোলা রয়েছে যাতে কৃষকরা আমের মুকুল পরিচর্যার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কীটনাশক নিতে পারেন। সাধারণত ফাল্গুন মাসে আমের মুকুল আসতে দেখা যায়। শীতের তীব্রতা কমে যাওয়ায় আগাম আমের মুকুল আসার ফলে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দে পড়েছেন কৃষকরা। এ সময় আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব পড়লে ঝুঁকি রয়ে গেছে। এছাড়াও আমের গুটিকে টিকিয়ে রাখার জন্য অতিরিক্ত পরিচর্যা ও প্রয়োজন হবে। ফলে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। উপজেলা দিবর ইউনিয়নের আম চাষি মাহাবুর খান বলেন “আমার দুই একর আমবাগান রয়েছে।আগাম মুকুল আসার ফলে পরিচর্যায় বাড়তি মনোযোগ দিতে হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে খুব একটা সমস্যা হবে না। কিন্তু বৃষ্টি বা কুয়াশার কারণে মুকুল ঝরে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আশা করছি সব ঠিক থাকলে এবার আমে উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।”
এরকম হাজারের অধিক কৃষকের স্বপ্ন জড়িয়ে রয়েছে আম কে কেন্দ্র করে। প্রকৃতির কল্যাণে আমের গৌরব অটুট থাকুক এটাই সবার কাম্য।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন

আমের আগাম মুকুলে ছেয়ে গেছে বাগান

আপডেট সময় ০৮:২০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আমের আগাম মুকুলে ছেয়ে গেছে বাগান

(মো. আসির উদ্দীন, পত্নীতলা)

মাঘ মাসের মাঝামাঝিতে আমের বাগানে দেখা দিয়েছে মুকুলের সমরোহ। আমের রাজধানী সাপাহারকে বলা হলেও অধিকাংশ আম আমদানি হয় উপজেলার দিবর, শিহাড়া, নিরমইল এবং আকবরপুর ইউনিয়ন থেকে। পাঁচটি ইউনিয়নে প্রায় ৭হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। এছাড়াও রাস্তার দু’ধার, খালের পাড়, কবরস্থান, এবং পতীত জমিতে আম বাগান বিদ্যমান। শীতের তীব্রতা কমে গিয়ে রৌদ্রজ্বল আবহাওয়ার কারণে গরমের কিছুটা প্রভাবে গাছ ফেটে মুকুল বেরিয়েছে। বাগানে কৃষককে মুকুল পরিচর্যায় ব্যস্ত দেখা যাচ্ছে। কীটনাশকের দোকানগুলো সব সময় খোলা রয়েছে যাতে কৃষকরা আমের মুকুল পরিচর্যার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কীটনাশক নিতে পারেন। সাধারণত ফাল্গুন মাসে আমের মুকুল আসতে দেখা যায়। শীতের তীব্রতা কমে যাওয়ায় আগাম আমের মুকুল আসার ফলে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দে পড়েছেন কৃষকরা। এ সময় আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব পড়লে ঝুঁকি রয়ে গেছে। এছাড়াও আমের গুটিকে টিকিয়ে রাখার জন্য অতিরিক্ত পরিচর্যা ও প্রয়োজন হবে। ফলে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। উপজেলা দিবর ইউনিয়নের আম চাষি মাহাবুর খান বলেন “আমার দুই একর আমবাগান রয়েছে।আগাম মুকুল আসার ফলে পরিচর্যায় বাড়তি মনোযোগ দিতে হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে খুব একটা সমস্যা হবে না। কিন্তু বৃষ্টি বা কুয়াশার কারণে মুকুল ঝরে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আশা করছি সব ঠিক থাকলে এবার আমে উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।”
এরকম হাজারের অধিক কৃষকের স্বপ্ন জড়িয়ে রয়েছে আম কে কেন্দ্র করে। প্রকৃতির কল্যাণে আমের গৌরব অটুট থাকুক এটাই সবার কাম্য।