ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত রাজশাহীতে পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদের স্মরণে রহনপুরে বিএনপির ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা রমজান মাস উপলক্ষে নওগাঁয় ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রমজানে সবজির বাজারে আগুন: ক্রেতাদের নাভিশ্বাস ভোলাহাটে,বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল (মিস্তি)র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। মহান একুশে বাঘায় ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রানীনগর থানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের যোগদান নওগাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস
নোটিশ :
দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ইমেইল : ainsomaj24@gmail.com, মোবাইল ০১৭০৭-৫৬৯৫৯২, ০১৩০০-৩৪৪২৪৫

বুটের নিচে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা? ধিক্কার জানাই এই বর্বরতাকে!

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০২:১৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১০৯ বার পড়া হয়েছে

বুটের নিচে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা? ধিক্কার জানাই এই বর্বরতাকে!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বুটের নিচে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা? ধিক্কার জানাই এই বর্বরতাকে! একজন সাংবাদিককে লাথি মেরে ফেলে দেওয়ার সাহস পুলিশ কোথায় পায়? পুলিশের অতবড় কলিজার পাটা আসলো কোথাথেকে? এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত সাংবাদিক সমাজ রাজপথ ছাড়বে না। আমরা কলম বিরতি ঘোষণা করেছি,কারণ সম্মানহীন পেশায় নীরবতাই বড় প্রতিবাদ। গণমাধ্যমে কলম বিরতি মানে রাষ্ট্রীয় যন্ত্র অচল! বিচার চাই অবিলম্বে দোষীকে আইনের আওতায় আনা হোক! ২৪ ঘন্টার মধ্যে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিককে পুলিশের ন্যাক্কারজনক হামলা—বিচার চেয়ে তোলপাড় ও সারাদেশে সাংবাদিকদের ‘কলম বিরতি’ কর্মসূচি”! বাংলাদেশে সাংবাদিকতার ওপর এক চরম আঘাত হেনে সংবাদকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে এক পুলিশ সদস্যের বর্বর আচরণে’। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক নির্ভীক সংবাদকর্মীকে প্রকাশ্য পুলিশের লাথি মেরে ফেলে দেওয়ার দৃশ্য নেট দুনিয়ায়’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর সারাদেশে নিন্দার ঝড় উঠেছে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষী পুলিশের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো বাংলাদেশ সাংবাদিক সমাজ।

বি’ক্ষো’ভে উ’ত্তা’ল ইনকিলাব ম’ঞ্চে হা’ম’লা ও হাদি হ’ত্যা’র বি’চা’রে দাবিতে রাজপথে নেমে এসেছে শতশত ছাত্রজনতা’ ঠিক এসময় সংবাদ/ রিপোর্ট’ কভারেজ করছিলেন’ তখন পুলিশের এক সিপাহি কোনো উস্কানি ছাড়াই হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন এবং সাংবাদিককে লক্ষ্য করে সজোরে লাথি মারেন। এতে সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা বিস্ময় ও আতঙ্ক প্রকাশ করে জানান, “তিনি কেবল তার ক্যামেরা নিয়ে নিজের দায়িত্ব পালন করছিলেন। কোনো কারণ ছাড়াই পুলিশ তাকে আক্রমণ করে।” ভিডিও ফুটেজে পরিষ্কার দেখা যায়,পুলিশ সদস্যের এই আচরণ ছিল সম্পূর্ণ অপেশাদার এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি এক চরম অবমাননা। দেশ বিদেশে এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই দেশের প্রতিটি কোণ থেকে সাংবাদিকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত সাংবাদিকতার ওপর এমন হামলাকে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করেছেন বিশিষ্টজনরা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে এবং সাংবাদিক সংগঠনগুলো কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।
সংহতি প্রকাশ করে দেশের শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো ‘কলম বিরতি’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা সাংবাদিক সমাজ ও কলম যোদ্ধাদের। বাংলাদেশ জাতীয় প্রেসক্লাব ইউনিট’ সাংবাদিক সংগঠনসহ (সাংবাদিক) বলেন “এটি কেবল একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা। আমরা এই ঘটনার দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত এবং দোষী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতিসহ কঠোর শাস্তির দাবি করছি। অন্যথায় আমাদের আন্দোলন আরও কঠোর হবে।”

এই ঘটনাটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং সাংবাদিকদের কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। সাংবাদিক সমাজ এখন একতাবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমেছে এটা নিশ্চিত করতে যে, সত্যের সেবকদের ওপর এমন কাপুরুষোচিত হামলা যেন আর কখনো না ঘটে। সারা দেশ এখন তাকিয়ে আছে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দিকে—তারা কি ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াবে, নাকি অপরাধীকে আড়াল করবে?। গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ আজ পুলিশের বুটের তলায়! পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিককে প্রকাশ্যে পুলিশের লাথি মারার এই দৃশ্য কেবল একজন ব্যক্তির ওপর হামলা নয়, বরং এটি পুরো সাংবাদিক সমাজের গালে এক চপেটাঘাত। সত্য প্রকাশ কি তবে এখন অপরাধ? আমরা কলম ধরেছি অন্যায়ের বিরুদ্ধে, আর বিনিময়ে পাচ্ছি রাজপথে লাঞ্ছনা। অবিলম্বে দ্রুত কার্যকর হতে হবে’ এই কুলাঙ্গার পুলিশ সদস্যের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হওয়া পর্যন্ত’ আমাদের রাজপথের লড়াই এবং ‘কলম বিরতি’ চলবে। সংবাদকর্মীরা যখন ঐক্যবদ্ধ, তখন কোনো দম্ভই টিকবে না। আমরা এর কঠিনতম বিচার চাই! গণমাধ্যম অস্ত্র’ (আমার কলম আমার শক্তি)।

তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে! চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে কলম বিরতির ঘোষণা দিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সকল সদস্য

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন

বুটের নিচে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা? ধিক্কার জানাই এই বর্বরতাকে!

আপডেট সময় ০২:১৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বুটের নিচে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা? ধিক্কার জানাই এই বর্বরতাকে!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বুটের নিচে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা? ধিক্কার জানাই এই বর্বরতাকে! একজন সাংবাদিককে লাথি মেরে ফেলে দেওয়ার সাহস পুলিশ কোথায় পায়? পুলিশের অতবড় কলিজার পাটা আসলো কোথাথেকে? এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত সাংবাদিক সমাজ রাজপথ ছাড়বে না। আমরা কলম বিরতি ঘোষণা করেছি,কারণ সম্মানহীন পেশায় নীরবতাই বড় প্রতিবাদ। গণমাধ্যমে কলম বিরতি মানে রাষ্ট্রীয় যন্ত্র অচল! বিচার চাই অবিলম্বে দোষীকে আইনের আওতায় আনা হোক! ২৪ ঘন্টার মধ্যে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিককে পুলিশের ন্যাক্কারজনক হামলা—বিচার চেয়ে তোলপাড় ও সারাদেশে সাংবাদিকদের ‘কলম বিরতি’ কর্মসূচি”! বাংলাদেশে সাংবাদিকতার ওপর এক চরম আঘাত হেনে সংবাদকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে এক পুলিশ সদস্যের বর্বর আচরণে’। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক নির্ভীক সংবাদকর্মীকে প্রকাশ্য পুলিশের লাথি মেরে ফেলে দেওয়ার দৃশ্য নেট দুনিয়ায়’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর সারাদেশে নিন্দার ঝড় উঠেছে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষী পুলিশের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো বাংলাদেশ সাংবাদিক সমাজ।

বি’ক্ষো’ভে উ’ত্তা’ল ইনকিলাব ম’ঞ্চে হা’ম’লা ও হাদি হ’ত্যা’র বি’চা’রে দাবিতে রাজপথে নেমে এসেছে শতশত ছাত্রজনতা’ ঠিক এসময় সংবাদ/ রিপোর্ট’ কভারেজ করছিলেন’ তখন পুলিশের এক সিপাহি কোনো উস্কানি ছাড়াই হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন এবং সাংবাদিককে লক্ষ্য করে সজোরে লাথি মারেন। এতে সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা বিস্ময় ও আতঙ্ক প্রকাশ করে জানান, “তিনি কেবল তার ক্যামেরা নিয়ে নিজের দায়িত্ব পালন করছিলেন। কোনো কারণ ছাড়াই পুলিশ তাকে আক্রমণ করে।” ভিডিও ফুটেজে পরিষ্কার দেখা যায়,পুলিশ সদস্যের এই আচরণ ছিল সম্পূর্ণ অপেশাদার এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি এক চরম অবমাননা। দেশ বিদেশে এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই দেশের প্রতিটি কোণ থেকে সাংবাদিকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত সাংবাদিকতার ওপর এমন হামলাকে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করেছেন বিশিষ্টজনরা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে এবং সাংবাদিক সংগঠনগুলো কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।
সংহতি প্রকাশ করে দেশের শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো ‘কলম বিরতি’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা সাংবাদিক সমাজ ও কলম যোদ্ধাদের। বাংলাদেশ জাতীয় প্রেসক্লাব ইউনিট’ সাংবাদিক সংগঠনসহ (সাংবাদিক) বলেন “এটি কেবল একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা। আমরা এই ঘটনার দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত এবং দোষী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতিসহ কঠোর শাস্তির দাবি করছি। অন্যথায় আমাদের আন্দোলন আরও কঠোর হবে।”

এই ঘটনাটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং সাংবাদিকদের কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। সাংবাদিক সমাজ এখন একতাবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমেছে এটা নিশ্চিত করতে যে, সত্যের সেবকদের ওপর এমন কাপুরুষোচিত হামলা যেন আর কখনো না ঘটে। সারা দেশ এখন তাকিয়ে আছে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দিকে—তারা কি ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াবে, নাকি অপরাধীকে আড়াল করবে?। গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ আজ পুলিশের বুটের তলায়! পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিককে প্রকাশ্যে পুলিশের লাথি মারার এই দৃশ্য কেবল একজন ব্যক্তির ওপর হামলা নয়, বরং এটি পুরো সাংবাদিক সমাজের গালে এক চপেটাঘাত। সত্য প্রকাশ কি তবে এখন অপরাধ? আমরা কলম ধরেছি অন্যায়ের বিরুদ্ধে, আর বিনিময়ে পাচ্ছি রাজপথে লাঞ্ছনা। অবিলম্বে দ্রুত কার্যকর হতে হবে’ এই কুলাঙ্গার পুলিশ সদস্যের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হওয়া পর্যন্ত’ আমাদের রাজপথের লড়াই এবং ‘কলম বিরতি’ চলবে। সংবাদকর্মীরা যখন ঐক্যবদ্ধ, তখন কোনো দম্ভই টিকবে না। আমরা এর কঠিনতম বিচার চাই! গণমাধ্যম অস্ত্র’ (আমার কলম আমার শক্তি)।

তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে! চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে কলম বিরতির ঘোষণা দিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সকল সদস্য