ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত রাজশাহীতে পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদের স্মরণে রহনপুরে বিএনপির ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা রমজান মাস উপলক্ষে নওগাঁয় ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রমজানে সবজির বাজারে আগুন: ক্রেতাদের নাভিশ্বাস ভোলাহাটে,বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল (মিস্তি)র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। মহান একুশে বাঘায় ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রানীনগর থানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের যোগদান নওগাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস
নোটিশ :
দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ইমেইল : ainsomaj24@gmail.com, মোবাইল ০১৭০৭-৫৬৯৫৯২, ০১৩০০-৩৪৪২৪৫

অনায়াসে ১২০- ১৩০ ফিট মাটির নিচ থেকে সাবমার্সিবল পাম্প উঠানোর যন্ত্র আবিষ্কার

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৬:৪১:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • ৩৫১ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁ প্রতিনিধি :

দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১২০- ১৩০ ফিট নিচে পড়ে হারিয়ে যাওয়া সাবমার্সিবল মটর উঠানোর এক অত্যাধুনিক যন্ত্র তৈরি করেছেন রাজশাহী শহীদ জিয়া শিশু পার্কের ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার সোহেল রানা। নিজস্ব ওয়ার্কশপে তিনি এ অত্যাধুনিক অটো বাইটিং পোলার তৈরি করেছেন। পোলারটি তৈরিতে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করায় সহজেই এটি তৈরি করা সম্ভব। পোলারটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ৫০০ টাকা।

গভীর নলকুপ/ডিপ বোরিং সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ যন্ত্রটি ব্যবহার করে সব রকম গভীরে পড়ে যাওয়া মটর উঠানো সম্ভব।
সরেজমিনে দেখা যায়, লোহার পাত,স্প্রিং,কবজা ব্যবহার করে এটি তৈরি করা হয়েছে। পোলার টি গভীর পাইপে নামানোর পর একটি তার টেনে লক করে দেয়া হয় আর তখনই মটর বা পাইপ কে সেটি আটকে ধরে ফলে অনায়াসে মটর বা পাইপটি উঠে আসে।

যন্ত্রটির উদ্যোক্তা ইঞ্জি. সোহেল রানা জানান,তার নিজের পার্কের একটি মটর ছিড়ে পড়ে যায়, একাধিক মিস্ত্রি ও অভিজ্ঞরা সেটিকে উঠানো অসম্ভব বলে জানায়, এরপর লাখ টাকা মূল্যের পাম্প টি উঠোনোর জন্য নিজেই কোন যন্ত্র তৈরির সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এরপর নিজ কারখানায় কর্মচারিদের সহায়তায় মাত্র এক দিনের চেষ্টায় তিনি পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম অটো বাইটিং পোলার তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
ইঞ্জি. সোহেল বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে স্বপ্ল খরচে এই উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছি এবং প্রথমবারেই ১৩০ ফিট গভীর থেকে মটর তুলতে সক্ষম হয়েছি ।এটি বাজারজাত করতে পারলে অনায়াসে গভীর থেকে সব ধরনের মটর যে কেউ তুলতে পারবে ।

শহীদ জিয়া শিশু পার্কের ওয়ার্কশপে কাজ করার সময় তাকে সার্বিক সহযোগিতা ও উৎসাহ দিয়েছেন পার্কের এ্যডমিন জহির রায়হান আলাল, সুপারভাইজার তৌফিক হায়দার, মার্কেটিং অফিসার রাসেল। তারা বলেন আমরা ইঞ্জি. সোহেল ভাইয়ের তদারকিতে, তার পরিকল্পনায় যন্ত্রটি তৈরির কাজে তাকে সহযোগিতা করতে পেরে গর্বিত। এটাতে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।এটিতে সরকার সংশ্লিষ্টরা সুদৃষ্টি দিলে এটি বাজারজাত করে দেশের বেকারত্ব দূর করতে ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন

অনায়াসে ১২০- ১৩০ ফিট মাটির নিচ থেকে সাবমার্সিবল পাম্প উঠানোর যন্ত্র আবিষ্কার

আপডেট সময় ০৬:৪১:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

নওগাঁ প্রতিনিধি :

দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১২০- ১৩০ ফিট নিচে পড়ে হারিয়ে যাওয়া সাবমার্সিবল মটর উঠানোর এক অত্যাধুনিক যন্ত্র তৈরি করেছেন রাজশাহী শহীদ জিয়া শিশু পার্কের ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার সোহেল রানা। নিজস্ব ওয়ার্কশপে তিনি এ অত্যাধুনিক অটো বাইটিং পোলার তৈরি করেছেন। পোলারটি তৈরিতে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করায় সহজেই এটি তৈরি করা সম্ভব। পোলারটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ৫০০ টাকা।

গভীর নলকুপ/ডিপ বোরিং সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ যন্ত্রটি ব্যবহার করে সব রকম গভীরে পড়ে যাওয়া মটর উঠানো সম্ভব।
সরেজমিনে দেখা যায়, লোহার পাত,স্প্রিং,কবজা ব্যবহার করে এটি তৈরি করা হয়েছে। পোলার টি গভীর পাইপে নামানোর পর একটি তার টেনে লক করে দেয়া হয় আর তখনই মটর বা পাইপ কে সেটি আটকে ধরে ফলে অনায়াসে মটর বা পাইপটি উঠে আসে।

যন্ত্রটির উদ্যোক্তা ইঞ্জি. সোহেল রানা জানান,তার নিজের পার্কের একটি মটর ছিড়ে পড়ে যায়, একাধিক মিস্ত্রি ও অভিজ্ঞরা সেটিকে উঠানো অসম্ভব বলে জানায়, এরপর লাখ টাকা মূল্যের পাম্প টি উঠোনোর জন্য নিজেই কোন যন্ত্র তৈরির সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এরপর নিজ কারখানায় কর্মচারিদের সহায়তায় মাত্র এক দিনের চেষ্টায় তিনি পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম অটো বাইটিং পোলার তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
ইঞ্জি. সোহেল বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে স্বপ্ল খরচে এই উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছি এবং প্রথমবারেই ১৩০ ফিট গভীর থেকে মটর তুলতে সক্ষম হয়েছি ।এটি বাজারজাত করতে পারলে অনায়াসে গভীর থেকে সব ধরনের মটর যে কেউ তুলতে পারবে ।

শহীদ জিয়া শিশু পার্কের ওয়ার্কশপে কাজ করার সময় তাকে সার্বিক সহযোগিতা ও উৎসাহ দিয়েছেন পার্কের এ্যডমিন জহির রায়হান আলাল, সুপারভাইজার তৌফিক হায়দার, মার্কেটিং অফিসার রাসেল। তারা বলেন আমরা ইঞ্জি. সোহেল ভাইয়ের তদারকিতে, তার পরিকল্পনায় যন্ত্রটি তৈরির কাজে তাকে সহযোগিতা করতে পেরে গর্বিত। এটাতে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।এটিতে সরকার সংশ্লিষ্টরা সুদৃষ্টি দিলে এটি বাজারজাত করে দেশের বেকারত্ব দূর করতে ভূমিকা রাখবে।