
উপশিরোনাম:
গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের শান্তিপূর্ণ সংগ্রামে অবদানের স্বীকৃতি—বিশ্বজুড়ে প্রশংসার জোয়ার
প্রতিবেদন:
🖋️ মির্জা ফয়সাল মাহীর:
২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) নরওয়ের রাজধানী অসলোতে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় নোবেল কমিটি এই বছরের শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে।

কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়, “ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে অহিংস সংগ্রাম এবং নারীর নেতৃত্বে শান্তিপূর্ণ রূপান্তরের প্রতীক হিসেবে মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।”
দীর্ঘদিন ধরে মাচাদো স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম মুখ। তিনি নিকোলাস মাদুরোর সরকারের দমননীতি, দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছেন। যদিও সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেননি, তবুও দেশের ভেতরে ও বাইরে তিনি গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছেন।
অন্যদিকে, পুরস্কার ঘোষণার আগেই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করছিলেন যে, তার কূটনৈতিক উদ্যোগ ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রচেষ্টার জন্য তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য। তবে নোবেল কমিটি সেই প্রত্যাশা ভেঙে দিয়ে পুরস্কার তুলে দিয়েছে এক নারী সংগ্রামীর হাতে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বিশ্বকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—শান্তি মানে কেবল যুদ্ধ থামানো নয়; বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধ এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাও সমান মর্যাদাপূর্ণ।
ভেনেজুয়েলায় মাচাদোর সমর্থকরা পুরস্কারের খবর শুনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। আন্তর্জাতিক পরিসরেও এই ঘোষণা সৃষ্টি করেছে ব্যাপক আলোচনার ঝড়। অনেকেই বলছেন, এটি শুধু মাচাদোর নয়—এটি স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও সাহসিকতার জয়।

মির্জা ফয়সাল মাহীর (প্রতিবেদক) 















