
জেলা প্রতিনিধি পাবনা
নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস্ উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি ফজলুল হকের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি ফজলুল হক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ-সভাপতি ছিলেন এবং সাবেক এমপি নুরুজ্জামান বিশ্বাস ও গালিবুর রহমান শরীফের আস্থা ভাজন ছিলেন ।
প্রধান শিক্ষক ফজলুল হক সাবেক এমপিদের ক্ষমতার দাপটে এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ক্ষমতার বলে কাউকে মানুষ মনে করত না।
বর্তমানে ফজলুল হক প্রশাসনের নাকের ডগার সামনে দিয়ে চলাফেরা করেন অথচ প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করে আসছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে জামায়াতে ও বিএনপির ছত্রছায়ায় পূণরায় বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি হওয়ার জন্য বিভিন্ন নেতার বাড়ী সহ বিদ্যালয়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনি।
এদিকে সাধারণ শিক্ষকদের মাঝে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বঙ্গবন্ধু পরিষদের একজন সহ-সভাপতি কি ভাবে পূণরায় বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে।
ফজলুল হক বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি হওয়ার সুবাদে ঈশ্বরদীর কমোলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে নোট, গাইড, গ্রামার বই বিক্রি করে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নারী কেলেংকারীর হোতা মুক্তার হোসেন এবং এয়ারপোর্ট স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমানের সাথে যোগসাজস করে লক্ষ লক্ষ টাকার পাহাড় গড়েছে এই তিন শিক্ষক।

Reporter Name 
















