ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত রাজশাহীতে পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদের স্মরণে রহনপুরে বিএনপির ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা রমজান মাস উপলক্ষে নওগাঁয় ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রমজানে সবজির বাজারে আগুন: ক্রেতাদের নাভিশ্বাস ভোলাহাটে,বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল (মিস্তি)র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। মহান একুশে বাঘায় ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রানীনগর থানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের যোগদান নওগাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস
নোটিশ :
দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ইমেইল : ainsomaj24@gmail.com, মোবাইল ০১৭০৭-৫৬৯৫৯২, ০১৩০০-৩৪৪২৪৫

সুন্দরগঞ্জে পিতা হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সন্তানের সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:৪৭:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫৫৮ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা জেলা সংবাদদাতাঃ

গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জে পিতাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন আলামিন মিয়া নামে এক সন্তান।

রোববার (১০ আগষ্ট) দুপুরে সুন্দরগঞ্জ পৌর শহরের সুনামি মার্কেটে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান। আলামিন উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের পূর্ব বৈদ্যনাথ গ্রামের মৃত আশেক আলীর ছেলে।

আলামিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তার মায়ের মৃত্যুর পর তার বাবা দ্বিতীয বিয়ে করেন। দ্বিতীয় মায়ের সাথে ছাড়াছাড়ি হলে ২০২৪ সালে উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পশ্চিম ঝিনিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান ওরফে মশিউর রহমানের কন্যা মোছা. আল্পনা আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর কিছুদিন সংসার ভালো চললেও আল্পনা বেগম পরবর্তীতে অন্য পুরুষের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে অশালীন জীবনযাপন করতে থাকেন। আমার পিতা একাধিকবার নিষেধ করলেও তিনি তা মানেননি।

পরে আল্পনা আক্তারের মা শহিতন বেগম, পিতা মতিয়ার রহমান এবং তাদের আত্মীয় ছাদেক আলী বিভিন্ন সময় কু-পরামর্শ দিয়ে তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করে। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে একদিন আশেক আলীর অবর্তমানে তারা আল্পনাকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। আল্পনা যাওয়ার সময় আশেক আলীর এক লক্ষ টাকাও নিয়ে যায়। এরপর স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলে আমার বাবাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

বাধ্য হয়ে আশেক আলী এ বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এ বিয়ের কাবিননামা মূলে স্ত্রীকে উদ্ধারের আবেদন করেন। মামলায় আল্পনা আক্তারের মা, পিতা এবং আত্মীয় ছাদেক আলীকে আসামি করেন। এতে তারা কৌশল অবলম্বন করে মামলা প্রত্যাহারের জন্য নানা প্রলোভন দিয়ে কাজ না হওয়ায় আশেক আলীকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন বলে দাবি করেন আলামিন।
এছাড়া প্রলোভনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৩১ জুলাই রাতে আল্পনা আক্তার তার বাবার বাড়িতে আশেক আলীকে ডেকে নেন। সেখানে অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জন সহযোগীসহ সুকৌশলে আশেক আলীকে বিষ পান করিয়ে হত্যা করে তার মরদেহ বাড়ির গেটের সামনে ফেলে রাখে।

পরদিন পহেলা আগস্ট সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ লাশ উদ্ধারসহ সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়না তদন্তের ব্যবস্থা করে। সেই সাথে পুলিশ আল্পনাকে গ্রেপ্তার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে। কিন্তু এই হত্যার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্তা নেওয়া হচ্ছে না। আলামিন তার পিতার হত্যাকারি অন্যান্যদের গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন

সুন্দরগঞ্জে পিতা হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সন্তানের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ১২:৪৭:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

গাইবান্ধা জেলা সংবাদদাতাঃ

গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জে পিতাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন আলামিন মিয়া নামে এক সন্তান।

রোববার (১০ আগষ্ট) দুপুরে সুন্দরগঞ্জ পৌর শহরের সুনামি মার্কেটে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান। আলামিন উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের পূর্ব বৈদ্যনাথ গ্রামের মৃত আশেক আলীর ছেলে।

আলামিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তার মায়ের মৃত্যুর পর তার বাবা দ্বিতীয বিয়ে করেন। দ্বিতীয় মায়ের সাথে ছাড়াছাড়ি হলে ২০২৪ সালে উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পশ্চিম ঝিনিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান ওরফে মশিউর রহমানের কন্যা মোছা. আল্পনা আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর কিছুদিন সংসার ভালো চললেও আল্পনা বেগম পরবর্তীতে অন্য পুরুষের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে অশালীন জীবনযাপন করতে থাকেন। আমার পিতা একাধিকবার নিষেধ করলেও তিনি তা মানেননি।

পরে আল্পনা আক্তারের মা শহিতন বেগম, পিতা মতিয়ার রহমান এবং তাদের আত্মীয় ছাদেক আলী বিভিন্ন সময় কু-পরামর্শ দিয়ে তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করে। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে একদিন আশেক আলীর অবর্তমানে তারা আল্পনাকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। আল্পনা যাওয়ার সময় আশেক আলীর এক লক্ষ টাকাও নিয়ে যায়। এরপর স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলে আমার বাবাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

বাধ্য হয়ে আশেক আলী এ বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এ বিয়ের কাবিননামা মূলে স্ত্রীকে উদ্ধারের আবেদন করেন। মামলায় আল্পনা আক্তারের মা, পিতা এবং আত্মীয় ছাদেক আলীকে আসামি করেন। এতে তারা কৌশল অবলম্বন করে মামলা প্রত্যাহারের জন্য নানা প্রলোভন দিয়ে কাজ না হওয়ায় আশেক আলীকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন বলে দাবি করেন আলামিন।
এছাড়া প্রলোভনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৩১ জুলাই রাতে আল্পনা আক্তার তার বাবার বাড়িতে আশেক আলীকে ডেকে নেন। সেখানে অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জন সহযোগীসহ সুকৌশলে আশেক আলীকে বিষ পান করিয়ে হত্যা করে তার মরদেহ বাড়ির গেটের সামনে ফেলে রাখে।

পরদিন পহেলা আগস্ট সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ লাশ উদ্ধারসহ সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়না তদন্তের ব্যবস্থা করে। সেই সাথে পুলিশ আল্পনাকে গ্রেপ্তার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে। কিন্তু এই হত্যার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্তা নেওয়া হচ্ছে না। আলামিন তার পিতার হত্যাকারি অন্যান্যদের গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান।