
রাজশাহী প্রতিনিধি
রাজশাহীর বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের ৫৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গত ২৩ জুলাই দুই লাখ টাকা চাঁদাদাবির মামলা করেছেন আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান। মামলার এজাহার বোয়ালিয়া মডেল থানায় রেকর্ডের আগে মামলার আসামি রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের সদস্যসচিব এমদাদুল হক লিমনের মোবাইলে পাঠিয়ে দেন বোয়ালিয়া মডেল থানার এসআই এসএম রকিবুল ইসলাম।
শুধু তাই নয়, ছাত্রদল নেতা লিমনের সাথে এসআই রকিবুলের একটি ফোনালাপ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে উঠে এসেছে পুলিশ কমিশনার অফিস থেকে মামলাটির এজাহার থানায় পাঠিয়ে মামলা রেকর্ড করতে বলা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে তোলপাড় শুরু হয় রাজশাহী মহানগর পুলিশে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে ছাত্রদল নেতা লিমনের মোবাইলে মামলা দায়েরের আগে এজাহারের কপি এবং ফোনালাপের সত্যতা মিললে এসআই রকিবুলকে সোমবার (২৮ জুলাই) বোয়ালিয়া মডেল থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংয়ুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশের একাধিক সূত্রের দাবি, বোয়ালিয়া মডেল থানায় দায়িত্ব পালনকালে এসআই রকিবুলের বিরুদ্ধে অপরাধীচক্রের সাথে সখ্য গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে। ‘আওয়ামী দোসর’ বানিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের মিডিয়া শাখার অতিরিক্ত উপকমিশনার গাজিউর রহমান জানান, এসআই রকিবুলের কার্যক্রম সন্তোষজনক ছিলো না। মামলার এজাহার আগেভাগে পাঠানোর বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রমাণ মিললে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Reporter Name 
















