
আদমদিঘী বগুড়া প্রতিনিধি-
বগুড়ার আদমদীঘিতে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আলিফ আহম্মেদ রাসেল(২৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু বরুণ করেছেন। মৃত রাসেল সান্তাহার পৌরসভার কোমল দোগাছি গ্রামের রেজাউল ইসলাম এর ছেলে। মৃত্যু কালে তিনি একটি ছেলে সন্তান রেখে যান ব্যক্তিজীবনে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং লেবারি কাজ করতেন বলে স্হানীয় এবং পরিবার সূত্রে জানা যায়।
পরিবারের দাবী শশুর কর্তৃক বিভিন্ন সময় ছেলেকে মারধর এবং হুমকি প্রদান করা হতো গত চারদিন আগেও ছেলেকে সান্তাহার নতুন বাজার এলাকায় অতর্কিত মারধর করা হয়।শুধু তাই নয় নিজ জামাইকে বন্ধু বানিয়ে জামাইয়ের এর বিরুদ্ধে কোর্টে চেকের মামলাও করেন শশুর বিপ্লব।
ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জোর দাবী পরিবারের ২০১৮ সালে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ রাসেল ভালোই চলছিল সংসার দিনগুলো সাংসারিক জীবনে একটা ছেলে সন্তানের জন্মও হয়। এর মধ্যেই পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে রাসেল বলে দাবি ছিল স্ত্রীর।
স্ত্রীর চাচীর সঙ্গে পরকীয়া জড়িয়ে পড়লে স্ত্রীর সাথে পারিবারিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয় আপন চাচির এক পর্যায়ে আলাদা হয়ে যায় সংসার কিন্তু থেমে যায়নি রাসেলের জীবন সব সময় রাসেলকে উৎসাহিত এবং স্ত্রীকে তালাক দিলে রাসেলের সঙ্গে বিবাহ করবেন বলেও জানান পরকীয়ায় আসক্ত ফিরোজা বেগম বলে জানান রাসেলের পরিবার।
এ বিষয়ে রাসেলের মা আক্তারুন বেগম জানান,বিয়ের পরে থেকে আমার ছেলের জীবনে কোন শান্তি নেই সব সময় অশান্তির মধ্যে জীবন যাপন করতেন রাসেল,রাসেলের চাষী শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্ক থাকার জন্যই স্ত্রীর সঙ্গে আলাদা হয়ে যায় রাসেল এবং চাষি শাশুড়ি বিয়ের আশ্বাস দেন রাসেলকে।
গতকাল আমরা পরিবারের কেউ না জানলেও রাসেলের গ্যাস ট্যাবলেট খাওয়ার খবর তার চাচী আমাকে দেন আমি এই ঘটনার সঠিক বিচার চাচ্ছি।ছেলের মাথায় সমস্যা কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আজকে মেম্বার আমায় ফোন করে থানায় যেতে বলেন এবং সেখানে আমাকে বোঝান যদি আমি বলি আমার ছেলে ভালো তাহলে ছেলের লাশ কাটাকাটি করবে মামলা করলে অনেক ঝামেলা আমাকে বলতে বলেন যে আমার ছেলে পাগল ছিল মাথায় সমস্যা রাগ বেশি তার কথা অনুযায়ী আমি থানায় কাগজে সাইন করি।
স্হানীয় বাসিন্দা মো:গোলাম মোস্তফা বলেন রাসেল সুস্থ ছেলে ছিলেন তার মাথায় কোন প্রকার সমস্যা ছিলনা কে বা কাহারা তাকে পাগল আখ্যায়িত করছে কেন করছে আমাদের জান নেই।
আব্দুল রাজ্জাক বলেন আমার ভাতিজাকে আমি কোলে পিঠে মানুষ করেছি সে কেমন ছেলে আমরা ভালো জানি,একটি মহল কৌশলে আমার ভাতিজাকে মৃত্যুর মুখে ঢেলে দিয়েছে এবং তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।আমরা তদন্তপূর্বক এটার সঠিক বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে কমিশনার মমতাজের সঙ্গে মুটো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি তার পরিবারকে ফোন দেইনি বা আমি তাদেরকে কিছু বলিওনি তারা নিজে থেকে এসে থানায় বলেছে ছেলে ভারসাম্যহীন।
এ বিষয়ে রাসেলের শশুর বিপ্লব বলেন তাদের সঙ্গে আমাদের কোন যোগাযোগ নেই এবং যেগুলো বলা হচ্ছে এগুলো উদ্দেশ্য প্রণোদিত রাসেলের নামে আমি একটি চেকের মামলা সহ নারী শিশু ও পারিবারিক মিলে তিনটি মামলাও করে রেখেছি,রাসেলের পরকীয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার ভাই রোড এক্সিডেন্টে মারা যায় পরবর্তী ওই পরিবারের সঙ্গে আমাদের তেমনটা যোগাযোগ নেই এ বিষয়ে আমি জানিনা।
এ বিষয়ে আদমদিঘী থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান,ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
#গ্যাস #ট্যাবলেট #আদমদিঘী #বগুড়া #ওসি #রাসেল #আত্মহত্যা #ধামাচাপা

Reporter Name 
















