ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত রাজশাহীতে পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদের স্মরণে রহনপুরে বিএনপির ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা রমজান মাস উপলক্ষে নওগাঁয় ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রমজানে সবজির বাজারে আগুন: ক্রেতাদের নাভিশ্বাস ভোলাহাটে,বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল (মিস্তি)র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। মহান একুশে বাঘায় ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রানীনগর থানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের যোগদান নওগাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস নওগাঁর বদলগাছীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস
নোটিশ :
দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ইমেইল : ainsomaj24@gmail.com, মোবাইল ০১৭০৭-৫৬৯৫৯২, ০১৩০০-৩৪৪২৪৫

আজীবন বিএনপি করে কি পেলাম!

 

মোঃ মাফিজুল ইসলাম জয়পুরহাট প্রতিনিধি

 

আমার প্রিয় নেতা জিয়ার সঙ্গে মাটি কাটলাম, কোকো মারা যাওয়ার পর তার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ করেছি।

হাসিনার সরকারকে উৎখাতে জুলাই আন্দোলনে অংশ নিয়ে যে সব ছাত্ররা মারা গিয়েছে তাদের নিমিত্তেও মসজিদে দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভা করেছি এমন মন্তব্য করেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্তবর্তী ধরঞ্জী ইউনিয়নের পূর্ব উচনা গ্রামের মৃত দেছের শেখের ছেলে মোঃ জাহিদুল হোসেন (৬৮)।

বিএনপির এ পাগল কর্মী জাহিদুল বলেন, বিএনপির সব অনুষ্ঠানে আমি অংশ গ্রহন করি কিন্তু নেতারা আমার পরিবারের খোঁজ নেয় না।

আমি একজন গরীব মানুষ নিজের কোন জমি-জমা নেই। নিজের টাকায় ২’মন চাল, ডাল ও মাংসর পোলা দিয়ে কোকোর মৃত্যুর পর চল্লিশা পালন করেছি আমার বাড়িতে।

খুনি হাসিনার আ’লীগের লোকের ভয়ে মসজিদের ইমাম মিলাদ পর্যন্ত পড়াতে আসেনি বাধ্য হয়ে অন্য জায়গা থেকে মুন্সীকে আনতে হয়েছে। তবে হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনে শহীদ হওয়া ছাত্রদের মিলাদে এলাকার লোক বিএনপির নেতাকর্মী ও মসজিদের ইমাম সবাই ছিল।

জিয়ার আদর্শের সৈনিক জাহিদুল আক্ষেপ করে বলেন, বিএনপির জন্য অভাবের সংসার হওয়া সত্ত্বেও এসব করি দলকে ভালোবাসি এজন্য। আর এসব করার জন্য আমার স্ত্রী সাজেদা বিবি (৬৩) ও ছেলে বকাঝকা করে।

তিনি আরো বলেন স্ত্রী ও ‌ছেলে রাগ করলেও আমার মত তাঁরাও বিএনপি করে এবং দলকে ভালোবাসে। আমার বয়স এখন প্রায় ৭০ বছর ও স্ত্রীর বয়স ৬০ বছরের অধিক। বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ও চেয়ারম্যানকে বহুবার বলেছি আজ পর্যন্ত কার্ড হয়নি। বাড়ির সাথেই ছোট্ট একটি দোকানের আয় দিয়ে বিএনপির এ কর্মীর সংসার কোন রকমে চলে। শেষ বয়সে বয়স্ক ভাতার একটা কার্ডের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন ভারত সীমান্ত ঘেঁষা বিএনপিপন্থী পরিবারটি।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত

আজীবন বিএনপি করে কি পেলাম!

আপডেট সময় ০২:০৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

মোঃ মাফিজুল ইসলাম জয়পুরহাট প্রতিনিধি

 

আমার প্রিয় নেতা জিয়ার সঙ্গে মাটি কাটলাম, কোকো মারা যাওয়ার পর তার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ করেছি।

হাসিনার সরকারকে উৎখাতে জুলাই আন্দোলনে অংশ নিয়ে যে সব ছাত্ররা মারা গিয়েছে তাদের নিমিত্তেও মসজিদে দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভা করেছি এমন মন্তব্য করেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্তবর্তী ধরঞ্জী ইউনিয়নের পূর্ব উচনা গ্রামের মৃত দেছের শেখের ছেলে মোঃ জাহিদুল হোসেন (৬৮)।

বিএনপির এ পাগল কর্মী জাহিদুল বলেন, বিএনপির সব অনুষ্ঠানে আমি অংশ গ্রহন করি কিন্তু নেতারা আমার পরিবারের খোঁজ নেয় না।

আমি একজন গরীব মানুষ নিজের কোন জমি-জমা নেই। নিজের টাকায় ২’মন চাল, ডাল ও মাংসর পোলা দিয়ে কোকোর মৃত্যুর পর চল্লিশা পালন করেছি আমার বাড়িতে।

খুনি হাসিনার আ’লীগের লোকের ভয়ে মসজিদের ইমাম মিলাদ পর্যন্ত পড়াতে আসেনি বাধ্য হয়ে অন্য জায়গা থেকে মুন্সীকে আনতে হয়েছে। তবে হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনে শহীদ হওয়া ছাত্রদের মিলাদে এলাকার লোক বিএনপির নেতাকর্মী ও মসজিদের ইমাম সবাই ছিল।

জিয়ার আদর্শের সৈনিক জাহিদুল আক্ষেপ করে বলেন, বিএনপির জন্য অভাবের সংসার হওয়া সত্ত্বেও এসব করি দলকে ভালোবাসি এজন্য। আর এসব করার জন্য আমার স্ত্রী সাজেদা বিবি (৬৩) ও ছেলে বকাঝকা করে।

তিনি আরো বলেন স্ত্রী ও ‌ছেলে রাগ করলেও আমার মত তাঁরাও বিএনপি করে এবং দলকে ভালোবাসে। আমার বয়স এখন প্রায় ৭০ বছর ও স্ত্রীর বয়স ৬০ বছরের অধিক। বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ও চেয়ারম্যানকে বহুবার বলেছি আজ পর্যন্ত কার্ড হয়নি। বাড়ির সাথেই ছোট্ট একটি দোকানের আয় দিয়ে বিএনপির এ কর্মীর সংসার কোন রকমে চলে। শেষ বয়সে বয়স্ক ভাতার একটা কার্ডের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন ভারত সীমান্ত ঘেঁষা বিএনপিপন্থী পরিবারটি।