
প্রতিবেদন:
ওয়াশিংটন–নয়াদিল্লি–কারাকাসের কূটনৈতিক ত্রিভুজে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল ভারতের কাছে বিক্রির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত শিথিলতার আভাস মিলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে এবং বৈশ্বিক তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই ভেনেজুয়েলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে তেল বাণিজ্যে ছাড় দেওয়ার আলোচনা জোরালো হয়েছে। এর ফলে ভারতসহ কয়েকটি বড় তেল আমদানিকারক দেশ ভেনেজুয়েলার তেল কেনার সুযোগ পেতে পারে। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে নামতে পারে।
এ প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে—শুল্ক কমছে কি না?
অর্থনীতিবিদদের মতে, সরাসরি শুল্ক হ্রাস না হলেও নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে পরিবহন, বীমা ও আর্থিক লেনদেনের খরচ কমতে পারে। ফলস্বরূপ আমদানি ব্যয় কমে গিয়ে তেলের কার্যকর মূল্য হ্রাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ। ভেনেজুয়েলার ভারী অপরিশোধিত তেল ভারতীয় শোধনাগারগুলোর জন্য উপযোগী হওয়ায় অতীতে দুই দেশের মধ্যে তেল বাণিজ্য ছিল উল্লেখযোগ্য। নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে সেই বাণিজ্য নতুন করে গতি পেতে পারে বলে মনে করছেন জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা।
তবে বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সমঝোতার ওপরই নির্ভর করবে এই তেল বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ।

ডেস্ক রিপোর্ট (আইন সমাজ) 















