ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত রাজশাহীতে পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদের স্মরণে রহনপুরে বিএনপির ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা রমজান মাস উপলক্ষে নওগাঁয় ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রমজানে সবজির বাজারে আগুন: ক্রেতাদের নাভিশ্বাস ভোলাহাটে,বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল (মিস্তি)র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। মহান একুশে বাঘায় ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রানীনগর থানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের যোগদান নওগাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস
নোটিশ :
দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ইমেইল : ainsomaj24@gmail.com, মোবাইল ০১৭০৭-৫৬৯৫৯২, ০১৩০০-৩৪৪২৪৫

দিনাজপুর বোর্ডে ৪৩ কলেজে কেউ পাস করেনি

 

মোঃ আসতারুল আলম
দিনাজপুর সদর প্রতিনিধিঃ

২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ফলাফলের চিত্র ছিল অত্যন্ত হতাশাজনক। পাসের হার, জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা এবং শূন্য পাসের কলেজের পরিসংখ্যান সবদিক থেকেই বোর্ডটি পিছিয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মীর সাজ্জাদ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন।

চলতি বছর দিনাজপুর বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫১ জন। এর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৬০ হাজার ৮৮২ জন, যা শতকরা হিসেবে ৫৭.৪৯ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৭৭.৫৬ শতাংশ। ফলে পাসের হার কমেছে ২০.০৭ শতাংশ। একইসঙ্গে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হারেও বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ২৬০ জন, যেখানে ২০২৪ সালে পেয়েছিল ১৪ হাজার ২৯৫ জন। অর্থাৎ জিপিএ-৫ কমেছে ৮ হাজার ৩৫ জন।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, দিনাজপুর বোর্ডের অধীন ৪৩টি কলেজ থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ২০টি, অর্থাৎ শূন্য পাসের কলেজের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এসব কলেজে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮২ জন। যদিও শিক্ষক ও কর্মচারীর সংখ্যা জানা যায়নি, তবে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এই কলেজগুলোতে শিক্ষার মান, উপস্থিতি এবং ব্যবস্থাপনার ঘাটতি দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যমান।

জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, শূন্য পাসের কলেজগুলোর মধ্যে নীলফামারী জেলার ১০টি, কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি, ঠাকুরগাঁওয়ের ৬টি, লালমনিরহাটের ৫টি, দিনাজপুরের ৪টি, রংপুরের ৪টি, পঞ্চগড়ের ৩টি এবং গাইবান্ধার ২টি কলেজ রয়েছে।

ছাত্রীদের ফলাফল তুলনামূলকভাবে ভালো হলেও সার্বিক চিত্রে তা খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারেনি। ছাত্রীদের পাসের হার ছিল ৬১.৯২ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৫২.৬৫ শতাংশ। পরীক্ষাকেন্দ্রে অনিয়মের কারণে বহিষ্কৃত হয়েছে ২৭ জন পরীক্ষার্থী।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খন্দকার মো. আলমগীর হোসেনের আজ জন্মদিন

দিনাজপুর বোর্ডে ৪৩ কলেজে কেউ পাস করেনি

আপডেট সময় ০৯:৩৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

 

মোঃ আসতারুল আলম
দিনাজপুর সদর প্রতিনিধিঃ

২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ফলাফলের চিত্র ছিল অত্যন্ত হতাশাজনক। পাসের হার, জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা এবং শূন্য পাসের কলেজের পরিসংখ্যান সবদিক থেকেই বোর্ডটি পিছিয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মীর সাজ্জাদ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন।

চলতি বছর দিনাজপুর বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫১ জন। এর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৬০ হাজার ৮৮২ জন, যা শতকরা হিসেবে ৫৭.৪৯ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৭৭.৫৬ শতাংশ। ফলে পাসের হার কমেছে ২০.০৭ শতাংশ। একইসঙ্গে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হারেও বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ২৬০ জন, যেখানে ২০২৪ সালে পেয়েছিল ১৪ হাজার ২৯৫ জন। অর্থাৎ জিপিএ-৫ কমেছে ৮ হাজার ৩৫ জন।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, দিনাজপুর বোর্ডের অধীন ৪৩টি কলেজ থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ২০টি, অর্থাৎ শূন্য পাসের কলেজের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এসব কলেজে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮২ জন। যদিও শিক্ষক ও কর্মচারীর সংখ্যা জানা যায়নি, তবে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এই কলেজগুলোতে শিক্ষার মান, উপস্থিতি এবং ব্যবস্থাপনার ঘাটতি দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যমান।

জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, শূন্য পাসের কলেজগুলোর মধ্যে নীলফামারী জেলার ১০টি, কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি, ঠাকুরগাঁওয়ের ৬টি, লালমনিরহাটের ৫টি, দিনাজপুরের ৪টি, রংপুরের ৪টি, পঞ্চগড়ের ৩টি এবং গাইবান্ধার ২টি কলেজ রয়েছে।

ছাত্রীদের ফলাফল তুলনামূলকভাবে ভালো হলেও সার্বিক চিত্রে তা খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারেনি। ছাত্রীদের পাসের হার ছিল ৬১.৯২ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৫২.৬৫ শতাংশ। পরীক্ষাকেন্দ্রে অনিয়মের কারণে বহিষ্কৃত হয়েছে ২৭ জন পরীক্ষার্থী।