ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত রাজশাহীতে পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদের স্মরণে রহনপুরে বিএনপির ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা রমজান মাস উপলক্ষে নওগাঁয় ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রমজানে সবজির বাজারে আগুন: ক্রেতাদের নাভিশ্বাস ভোলাহাটে,বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল (মিস্তি)র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। মহান একুশে বাঘায় ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রানীনগর থানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের যোগদান নওগাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস নওগাঁর বদলগাছীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস
নোটিশ :
দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ইমেইল : ainsomaj24@gmail.com, মোবাইল ০১৭০৭-৫৬৯৫৯২, ০১৩০০-৩৪৪২৪৫

উদ্যোক্তা আরজুনার সফল পথচলা: “চাকরি খুঁজি না, সৃষ্টি করি”

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৫:২০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৭৯ বার পড়া হয়েছে

 

মো:মেহেদী হাসান ফুয়াদ
দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি

‘চাকরি নয়, চাকরি দেবো’ — এই সাহসী স্লোগানকে সামনে রেখে দিনাজপুরের তরুণ উদ্যোক্তা আরজুনা আক্তার কাজ করে যাচ্ছেন আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি গড়ে তুলেছেন একটি হোমমেড ফুড ব্র্যান্ড, যার নাম “আরু’স ইয়াম্মী কিচেন”।

কেক, বিস্কুট, পিজ্জা, তেহারী, বিরিয়ানিসহ নানা মুখরোচক খাবার তৈরি করে ইতোমধ্যেই তিনি এলাকায় বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। আরজুনা জানান, “আমরা যদি চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোগ গ্রহণ করি, তাহলে নিজের পায়ে দাঁড়ানো সম্ভব। একই সঙ্গে বেকার যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়।”

বিভিন্ন খাদ্য প্রস্তুতি বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করছেন, যা দিয়ে নিজের পড়াশোনার খরচ নিজেই বহন করেন। খাবারের গুণগত মান ভালো হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে তাঁর পরিচিতি ও ক্রেতার সংখ্যা।

উদ্যক্তা আরজুনা

তিনি জানান, “আমি অনলাইনে এবং অফলাইনে—দুইভাবেই অর্ডার গ্রহণ করি। ক্রেতারা পণ্য হাতে পাওয়ার পর মূল্য পরিশোধ করেন। জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী কিংবা যে কোনো অনুষ্ঠানে আমার হাতের তৈরি কেক উৎসবের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তোলে। এটা আমার কাছে এক বড় আনন্দ।”

আরজুনা আরও বলেন, “শ্রম, মেধা আর সততা — এই তিনটি বিষয়ই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। ২০২৩ সালে আমি প্রথম কেক নিয়ে কাজ শুরু করি। গ্রামের পরিবেশে নানা বাধার সম্মুখীন হয়েছি, এমনকি পরিবারের সদস্যরাও শুরুতে নিরুৎসাহিত করেছিল। কিন্তু আমি দমে যাইনি, বরং দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ চালিয়ে গিয়েছি। এখন পরিবারের সবাই আমার পাশে আছেন।”

তিনি বিশ্বাস করেন, “গ্রামে থেকেও কিছু করা সম্ভব, যদি লক্ষ্য স্থির থাকে। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতে আমি বেকার তরুণীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের স্বাবলম্বী করে তোলার কাজ করতে চাই।

#নারী #উদ্যক্তা #দিনাজপুর #সফলতা

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীনগরে হাসান শাহ’র তিন দিনব্যাপী ওরস পালিত

উদ্যোক্তা আরজুনার সফল পথচলা: “চাকরি খুঁজি না, সৃষ্টি করি”

আপডেট সময় ০৫:২০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

 

মো:মেহেদী হাসান ফুয়াদ
দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি

‘চাকরি নয়, চাকরি দেবো’ — এই সাহসী স্লোগানকে সামনে রেখে দিনাজপুরের তরুণ উদ্যোক্তা আরজুনা আক্তার কাজ করে যাচ্ছেন আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি গড়ে তুলেছেন একটি হোমমেড ফুড ব্র্যান্ড, যার নাম “আরু’স ইয়াম্মী কিচেন”।

কেক, বিস্কুট, পিজ্জা, তেহারী, বিরিয়ানিসহ নানা মুখরোচক খাবার তৈরি করে ইতোমধ্যেই তিনি এলাকায় বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। আরজুনা জানান, “আমরা যদি চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোগ গ্রহণ করি, তাহলে নিজের পায়ে দাঁড়ানো সম্ভব। একই সঙ্গে বেকার যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়।”

বিভিন্ন খাদ্য প্রস্তুতি বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করছেন, যা দিয়ে নিজের পড়াশোনার খরচ নিজেই বহন করেন। খাবারের গুণগত মান ভালো হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে তাঁর পরিচিতি ও ক্রেতার সংখ্যা।

উদ্যক্তা আরজুনা

তিনি জানান, “আমি অনলাইনে এবং অফলাইনে—দুইভাবেই অর্ডার গ্রহণ করি। ক্রেতারা পণ্য হাতে পাওয়ার পর মূল্য পরিশোধ করেন। জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী কিংবা যে কোনো অনুষ্ঠানে আমার হাতের তৈরি কেক উৎসবের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তোলে। এটা আমার কাছে এক বড় আনন্দ।”

আরজুনা আরও বলেন, “শ্রম, মেধা আর সততা — এই তিনটি বিষয়ই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। ২০২৩ সালে আমি প্রথম কেক নিয়ে কাজ শুরু করি। গ্রামের পরিবেশে নানা বাধার সম্মুখীন হয়েছি, এমনকি পরিবারের সদস্যরাও শুরুতে নিরুৎসাহিত করেছিল। কিন্তু আমি দমে যাইনি, বরং দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ চালিয়ে গিয়েছি। এখন পরিবারের সবাই আমার পাশে আছেন।”

তিনি বিশ্বাস করেন, “গ্রামে থেকেও কিছু করা সম্ভব, যদি লক্ষ্য স্থির থাকে। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতে আমি বেকার তরুণীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের স্বাবলম্বী করে তোলার কাজ করতে চাই।

#নারী #উদ্যক্তা #দিনাজপুর #সফলতা